• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
যুবদল কর্মী নিহতের ঘটনায় আদালতে চার আসামির দায় স্বীকার হেপাটাইটিসমুক্ত দেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ জেলা প্রশাসক আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলা হবে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা: প্রতিমন্ত্রী টুকু সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের ড্রোন হামলার দাবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন-সুশাসনে সবাইকে পাশে চাইলেন সারিয়াকান্দির নবাগত ইউএনও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিলেন মির্জা ফখরুল লুলাকে ‘চোর’ বললেন মিলেই, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করল ব্রাজিল হাসপাতালের শৌচাগারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, সাময়িক বরখাস্ত হলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

মৃত্যুর আগে বিচার দেখতে চান আবু সাঈদের বাবা

  নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ২৮ আগস্ট ২০২৫, ০৫:০৪ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন তার ছেলে হত্যার বিচার মৃত্যুর আগে দেখতে চান। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২’র তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলের সামনে তিনি সাক্ষ্য দিয়েছেন। প্যানেলের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, অন্য সদস্যরা অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

সাক্ষীর ডায়াসে দাঁড়িয়ে মকবুল হোসেন বলেন, “আমি শহীদ আবু সাঈদের বাবা। ১৬ জুলাই আন্দোলনে তিনি শহীদ হয়েছেন। আমার ছেলে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। টিউশনি করে নিজের লেখাপড়ার খরচ চালাতো।”

তিনি জবানবন্দিতে জানান, ১৬ জুলাই দুপুরে ফসলের মাঠ থেকে বাড়ি ফেরার পর সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে জানতে পারেন, আবু সাঈদ মারা গেছেন। “ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে মনে হলো আসমান ভেঙে পড়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ছেলে-জামাইয়ের চাপে লাশ দেখতে পাই। রাতে আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে লাশ বাড়িতে আনা হয়। প্রশাসনের লোক রাতেই দাফনের নির্দেশ দেয়, কিন্তু আমরা রাজি না হয়ে পরদিন সকাল ৯টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করি। গোসল করানোর সময় দেখি মাথা ও বুকে রক্ত ঝরছে। পরে জানতে পারি, আমার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছে এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র।”

মকবুল হোসেন আরও বলেন, “হত্যার কয়েক দিন আগে ছেলেকে পমেল বড়ুয়া গলা টিপে ধরাসহ মারধর করেছিল। আমার আশা ছিল ছেলেটি চাকরি করবে, কিন্তু সেই ইচ্ছা পূর্ণ হলো না। যেহেতু আমার ছেলে শহীদ হয়েছে, তাই আমি চাই মৃত্যুর আগে তার হত্যার বিচার দেখতে পারি। যারা আমার ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের বিচার চাই। ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংশ্লিষ্টদেরও বিচার চাই।”

ভিওডি বাংলা/জা


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
শেখ হাসিনা
ট্রাকচালক হত্যা শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ১৩ আগস্ট
টেকনাফের সাবেক কাউন্সিলর একরামুল হক। ছবি: সংগৃহীত
একরামুল হত্যা শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন
ছবি: সংগৃহীত
মন্ত্রণালয়ে চাকরিতে যোগ দিতে এসে গ্রেপ্তার ৩ জন রিমান্ডে