বিজয়নগরে সংঘর্ষ:
নুরসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত, পুলিশের জরুরি বৈঠক


রাজধানীর বিজয়নগরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের লাঠিচার্জে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনার সময় লাল শার্ট পরা এক ব্যক্তি ছাত্রনেতা সম্রাটকে লাঠিপেটা করতে দেখা গেছে। তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য দাবি করলেও ডিএমপি তার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি।
বিষয়টি গুরুত্বের কারণে ঢাকা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শনিবার (৩০ আগস্ট) জরুরি বৈঠকে বসেছেন। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম-পরিচয় চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া চলছে।
ঘটনার পর বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শুক্রবার রাতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান দাবি করেছেন, নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনা হোক।
রাশেদ খান জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে নুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন এবং মাথায় আঘাতের কারণে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে জ্ঞান ফেরার পর সিটিস্ক্যান করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, নুরের মাথায় আঘাত ও নাকের হাড় ভেঙে যাওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছিল। বর্তমানে রক্তক্ষরণ বন্ধ এবং জ্ঞান ফিরে এসেছে, তবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিনি সম্পূর্ণ আশঙ্কামুক্ত হবেন কি না তা বলা সম্ভব নয়।
ভিওডি বাংলা/জা