নুরের ওপর হামলায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি


গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এছাড়া এ হামলায় জড়িত কেউ রেহাই পাবে না বলেও জানানো হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার আশ্বস্ত করেছে, ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে সম্পন্ন হবে। প্রভাব বা পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, জড়িত কেউ জবাবদিহিতা থেকে রেহাই পাবে না। স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সাথে বিচার নিশ্চিত করা হবে।
এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, কেবল নুরুল হক নূরের ওপরই নয়, এ ধরনের সহিংসতা- ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ঐতিহাসিক সংগ্রামে জাতিকে একত্রিত করা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্পিরিটের ওপরও আঘাত।
সরকার জানিয়েছে, নুরুল হক নূর এবং তার দলের আহত সদস্যদের চিকিৎসা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে একটি বিশেষায়িত মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থাও করা হবে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৮ সালে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নুরুল হক নূর ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন। একজন ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি তরুণদের সংগঠিত করেছিলেন, বিভিন্ন মত ও কণ্ঠকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে দাঁড়িয়েছিলেন। চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়ও তাকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়।
অন্তর্বর্তী সরকার মনে করে, নুরুল হক নূরের ভূমিকা একটি স্বাধীন, সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার সাহস ও আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।
সংকটকালীন সময়ে জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, সংগ্রামের অর্জন রক্ষা করতে, জনবিরোধী সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে এবং গণতন্ত্রে সফল উত্তরণ নিশ্চিত করতে জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য।
ভিওডি বাংলা/ এমএইচ