রাজবাড়ীতে বিএনপি নেতার তোরণ ভাঙচুর


রাজবাড়ীতে বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি মো. আব্দুস সালাম মিয়ার পক্ষে নির্মিত একটি তোরণ ভেঙে দিয়েছে দুবৃত্তরা। এতে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত গভীর রাতে গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মার মোড়ে নির্মিত ওই তোরণ ভাঙচুর করা হয়। তোরণে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি টানানো ছিল। গভীর রাতে অজ্ঞাত পরিচয়ের দুবৃত্তরা তোরণ ভেঙে ফেলে এবং নেতাদের ছবি ছিঁড়ে নষ্ট করে।
রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি মো. আব্দুস সালাম মিয়া এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন,
“নির্মিত তোরণ ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা একটি ঘৃণিত অপরাজনীতি। রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবে, তবে প্রতিপক্ষের প্রচার কার্যক্রম ধ্বংস করা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। তোরণ ভেঙে জনপ্রিয়তাকে মুছে ফেলা যায় না। আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের দাবি করছি।”
ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। কেউ কেউ এটিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন। অনেকে আবার মনে করছেন, রাজনীতির নামে এ ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সমাজে বিভক্তি ও উত্তেজনা সৃষ্টি করে।
ঘটনার বিষয়ে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলছেন, দ্রুতই প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হবে এবং এ ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হবে।
তোরণ ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষ আশা করছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখবে।
ভিওডি বাংলা/ এমএইচ