• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

পরিবেশবান্ধব সমন্বিত যোগাযোগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:০৯ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

প্রকৃতি, পরিবেশ ও নদীকে নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সড়ক, রেল, বিমান ও নৌপথের সম্মিলিত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।   

রোববার (২ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত ‘সেন্ট্রাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট সেক্টর মাস্টার প্ল্যান অব বাংলাদেশ’ সংক্রান্ত প্রান্তিক মূল্যায়ন ও কৌশলগত পরিকল্পনা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কর্মকর্তারা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা বর্তমানে খুবই বিশৃঙ্খল অবস্থায় আছে। এটিকে দ্রুত শৃঙ্খলার মধ্যে না আনলে পুরো অর্থনীতিই গলার ফাঁসে পরিণত হবে। তবে এ কাজ করতে হবে পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে। নদীর ওপর কোনো আঘাত করা যাবে না, কারণ পানি আমাদের জন্য এক বিশাল সম্পদ।”

বৈঠকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ একটি প্রাথমিক কৌশলগত পরিকল্পনা উপস্থাপন করে। এতে দেশের রেল, নৌ ও সড়কপথের সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিবহন ব্যবস্থাকে টেকসই ও কার্যকর করার প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “পুরো পরিকল্পনাটা করতে হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি মাথায় রেখে। অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকেও নজর দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা যখন যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে নদীর কথা চিন্তা করব, তখন অবশ্যই মনে রাখতে হবে- নদীগুলো আমাদের প্রাণ।”

বিশেষ সহকারী ড. শেখ মইনউদ্দিন বলেন, যোগাযোগে একটি সামষ্টিক মডেল দাঁড় করানোর প্রচেষ্টা চলছে, যা দেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইন তৈরি করবে।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “যেসব এলাকায় সামান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নেই জাতীয় কানেকটিভিটি নিশ্চিত করা যায়, সেসব ক্ষেত্রে দ্রুত পরিকল্পনা নিতে হবে।”

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগে একটি ‘প্ল্যানার্স উইং’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও পরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

বিডা চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, “২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রামে তিনটি নতুন বন্দর চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তাই এসব বন্দর থেকে সড়ক যোগাযোগ সহজ ও কার্যকর করতে এখন থেকেই পদক্ষেপ নিতে হবে।”

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
এবার কোটিপতি প্রার্থী ৮৯১ জন: টিআইবি
জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবার কোটিপতি প্রার্থী ৮৯১ জন: টিআইবি
২৫ জানুয়ারি থেকে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম চালু
২৫ জানুয়ারি থেকে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম চালু
২৯৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন ১৯৮১ প্রার্থী
২৯৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন ১৯৮১ প্রার্থী