শিক্ষার পথে বড় প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই নড়বড়ে সেতুটি

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যবর্তী ধুমঘাট-হেতালখালির কাঠের সাকোটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। এই সাকো পার হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যেতে হয় স্থানীয় শিক্ষার্থীদের।
সরজমিনে দেখা যায়, সাকোটির অর্ধেক কাঠ পঁচে গেছে। কিছু স্থানে বড় বড় ফাঁক, আবার কোথাও কোথাও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। এই সাকো পার হতে গিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা যা আঁতকে ওঠার মতো।
স্কুলের শিক্ষার্থীরা জানায়, কাঠের সাকোতে উঠলেই দুলতে থাকে, ভয় লাগে। বৃষ্টি হলে কাঠ পিচ্ছিল হয়। তখন মনে হয় পড়ে যাবো। হাত-পা কাঁপতে থাকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ—ধুমঘাট ও হেতালখালির প্রায় তিন হাজার মানুষের
যাতায়াতের একমাত্র পথ এই কাঠের সাকো। বহুবার জনপ্রতিনিধিদের জানালেও কেউ এটা মেরামতের উদ্যোগ নেননি। এমনকি সাকোর পাশে কোনো সতর্কবার্তা সাইনবোর্ডও নেই। ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাচ্চাগুলা উঠতে দেখলেই বুক ধড়ফড় করে। কখন যে দুর্ঘটনা ঘটবে, সব সময় সেই আশংকা।
শিক্ষকরা জানান, বর্ষাকালে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। বাধ্য হয়ে অনেক শিক্ষার্থী তখন স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। শিক্ষার পথে বড় প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই নড়বড়ে সেতুটি।
অভিভাবকরা জানান দ্রুত মেরামত বা নতুন সাকো নির্মাণ করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দিদারুল ইসলাম বলেন, সাকোটি কি অবস্থায় আছে, তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভিওডি বাংলা/ এমএইচ







