হলফনামা বিশ্লেষণ
তারেক রহমানের আয় বছরে পৌনে ৭ লাখ টাকা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ সদর আসনে নির্বাচনে অংশ নিতে যে হলফনামা দাখিল করেছেন, তাতে তার ব্যক্তিগত আয় বছরে ছয় লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা দেখানো হয়েছে। এই আয় এসেছে মূলত শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে।
হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ রয়েছে ৬৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ব্যাংকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং এফডিআর রয়েছে ৯ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা। স্বর্ণালংকারের মূল্য ২ হাজার ৯৫০ টাকা, আসবাবপত্রের মূল্য ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা, এবং নগদ হাতে আছে ৩১ লাখ ৫৪ হাজার ৪২৮ টাকা।
তার স্ত্রী জোবাইদা রহমানের সম্পদও উল্লেখযোগ্য। তার নগদ অর্থ ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা, ব্যাংকে সঞ্চয় ১৫ হাজার ২৬০ টাকা, এবং এফডিআরে রয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।
স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে তারেক রহমানের নামে আছে ৩ একর ৫ শতাংশ অকৃষি জমি, যার মধ্যে একটি ২ দশমিক ০১ একর এবং অপরটি ১ দশমিক ৪ শতাংশ। এই জমির মূল্য দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। স্ত্রীর নামে আছে ১১১ দশমিক ২৫ শতক অকৃষি জমি এবং যৌথ মালিকানায় ৮০০ বর্গফুটের একটি দোতলা ভবন। এছাড়া, উপহার হিসেবে তারেক রহমান ২ দশমিক ৯ শতাংশ জমি পেয়েছেন।
হলফনামায় তারেক রহমান দু'টি ঠিকানা উল্লেখ করেছেন: গুলশান অ্যাভিনিউ রোড নম্বর ১৯ এবং গুলশান-২, ঢাকা।
মামলার প্রেক্ষাপটেও তারেক রহমানের তথ্য পাওয়া গেছে। তার নামে ৭৭টি মামলা রয়েছে, এর মধ্যে ৫৪টিতে খালাস, ১২টি থেকে অব্যাহতি, ৮টি খারিজ এবং ৩টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। খালাস প্রাপ্ত ৫৪টির মধ্যে ২২টি গণঅভ্যুখানের পর খালাস পেয়েছেন, বাকি ৩২টি আগেই খালাসপ্রাপ্ত। খারিজ, অব্যাহতি ও প্রত্যাহার হওয়া মামলাগুলোর বেশিরভাগও গণঅভ্যুখানের পর হয়েছে।
হলফনামা থেকে এ তথ্য স্পষ্ট হয় যে, তারেক রহমানের ব্যক্তিগত আয় তুলনামূলকভাবে সীমিত হলেও, শেয়ার, জমি ও নগদসহ মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মামলার মধ্যে তিনি বেশিরভাগ খালাস বা মুক্তি পেয়েছেন।
ভিওডি বাংলা/জা





