• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

হাদি হত্যায় ‎সঞ্জয় ও ফয়সালের দোষ ‎স্বীকার

আদালত প্রতিবেদক    ১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৩ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

‎ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামি সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সাল দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ‎অপরদিকে সিবিউন দিউকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম আসামি সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সালের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

‎‎মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করেন। তিনি আসামি সঞ্জয় ও ফয়সাল স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড এবং সিবিউনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

‎‎গত ১৫ ডিসেম্বর সঞ্জয় চিসিম ও সিবিউন দিউকে আটকের পর এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গত ১৮ ডিসেম্বর তাদের আদালত তিন দিনের রিমান্ড দেয়। গত ২১ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। গত ২৬ ডিসেম্বর দুই দফা রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর গত ৩০ ডিসেম্বর তাদের আবার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। রিমান্ড শেষে সঞ্জয় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন। আর সিবিউনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হলো।

‎‎আর গত ১৬ ডিসেম্বর র‍্যাব-১১ নরসিংদী জেলার সদর থানাধীন তরুয়া এলাকার মোল্লার বাড়ির সামনে তরুয়ার বিলে অভিযান পরিচালনা করে ফয়সালকে আটক করে। অভিযানের সময় পানির ভেতর থেকে হাদি হত্যা ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর হাদি হত্যা মামলায় তাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

‎গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলাটি দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলাটিতে ৩০২ ধারা যুক্ত হয়েছে।

‎মামলার পর ১২ আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আসামিরা হলেন- ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা ও শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট-এ কার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহযোগিতাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম, আমিনুল ইসলাম রাজু এবং ফয়সাল।

‎‎জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া হাদিকে গত ১২ ডিসেম্বর চলন্ত রিকশায় গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ‎গত ১৪ ডিসেম্বর দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিঙ্গাপুরে গত ১৮ ডিসেম্বর মারা যান হাদি।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন মান্না
নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন মান্না
মান্নার নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়: রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী
মান্নার নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়: রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী
জামিন পেলেন সেই শহিদুল
তারেক রহমানকে কটূক্তি জামিন পেলেন সেই শহিদুল