দেশের ১৬ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ

দেশের ১৬ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চললেও আগামী দুই দিনের মধ্যে তা কিছুটা প্রশমিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে ৪ জানুয়ারির পর আবারও তাপমাত্রা কমে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটি বলছে, জানুয়ারি মাস মৌসুমের সবচেয়ে শীতল সময় হওয়ায় এ মাসজুড়ে শীতের দাপট বাড়তে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া শৈত্যপ্রবাহ গতকাল বৃহস্পতিবারও মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, সিলেট, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায়। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিছু এলাকায় শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব কমতে পারে।
এছাড়া মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এতে করে বিমান চলাচল, নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ভোরের দিকে মহাসড়কগুলোতে দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়ছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
সিনপটিক অবস্থায় জানানো হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং এর বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় টেকনাফে ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, “আগামী দু’দিন তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে, তবে ৪ জানুয়ারির পর আবার শীত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”
ভিওডি বাংলা/জা







