রোজার আগে চিনির দাম বাড়লো, সবজিতে মিলছে স্বস্তি

পবিত্র রমজান মাস আসার এক মাসেরও বেশি সময় বাকি থাকলেও রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে চিনির দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ১০-১৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। রোজা শুরু হওয়ার আগে এই পরিস্থিতি সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে অস্বস্তি তৈরি করেছে।
অন্যদিকে শীতকালীন সবজির প্রাচুর্যের কারণে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো উৎসবমুখর মনে হচ্ছে। ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, গাজর, মুলা, লাউ, টমেটো, পালংশাক, লালশাকসহ প্রায় সব ধরনের শীতকালীন সবজি সহজলভ্য এবং অধিকাংশের দাম কেজি ৫০-৬০ টাকার মধ্যে রয়েছে। কিছু শাকসবজি আরও কম দামে মিলছে, যা স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য স্বস্তির কারণ।

বর্তমান বাজারে ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০-৪৫ টাকা, লাউ ৪০-৬০ টাকা, শিম ৪০-৬০ টাকা, গাজর ও মুলা ৩০-৪০ টাকা এবং পালংশাক ও লালশাক প্রতি আঁটি ১০-১৫ টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, শীতকালে সবজির দাম কমায় পরিবারের খাবারের বাজেট চাপ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। পুরান ঢাকার গৃহিণী রহিমা বেগম জানান, “আগে ২০০-৩০০ টাকায় অল্প কিছু সবজি নিতে হতো, এখন একই টাকায় ভরপুর সবজি পাওয়া যাচ্ছে।”
তবে মাছের দাম তুলনামূলকভাবে অপ্রভাবিত। পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে তেমন প্রভাব পড়ে না। কোরাল মাছ প্রতি কেজি ৭০০-৯০০ টাকা, আইড় ৭০০-৮০০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, টেংরা ৬০০-৭০০ টাকা, সরপুঁটি ৩০০-৪৫০ টাকা, পাঙাশ ও সিলভার কার্প ১৮০-২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বড় চিংড়ি ৭৫০-১২০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ১০০০-১২০০ টাকা, ইলিশ মাছ এক কেজি ২২০০-২৫০০ টাকা এবং দুই কেজি ২৬০০-৩০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছ বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম জানান, শীতকালে নদীতে মাছ কম ধরা পড়ায় আড়তে দাম বৃদ্ধি পায়, যা খুচরা বাজারেও প্রতিফলিত হচ্ছে।
ভিওডি বাংলা/জা






