• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

বাণিজ্য উপদেষ্টা

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অবস্থান জোরদারে বাণিজ্য মেলা

   ৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৬ পি.এম.
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। সংগৃহীত ছবি

অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম সংস্করণ দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই মেলা কেবল পণ্যের প্রদর্শনী নয়; বরং বাংলাদেশের নতুন উদ্যোগ, উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিক সক্ষমতার প্রতিফলন।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্ব বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। রপ্তানি পণ্যের উন্নয়ন ও বহুমুখীকরণ, নতুন বাজারে প্রবেশ, অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনই এই মেলার মূল লক্ষ্য। মেলার মাধ্যমে দেশের ব্র্যান্ড ইমেজ শক্তিশালী হয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়।

তিনি বলেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদককে ভোক্তার সঙ্গে, উদ্যোক্তাকে বিনিয়োগকারীর সঙ্গে এবং বাংলাদেশকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করে আসছে। ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প থেকে শুরু করে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিতে দেশের সক্ষমতা এই মেলায় ফুটে ওঠে।

এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে রপ্তানি বাণিজ্যের গতি ধরে রাখতে পণ্য উন্নয়ন ও নতুন বাজার অনুসন্ধানের কৌশল হিসেবে সম্প্রতি ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো ২০২৫ ঢাকা’ আয়োজনের কথাও তুলে ধরেন তিনি। ভবিষ্যতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান।

উদ্যোক্তাদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, উদ্যোক্তারা তাদের পণ্যের গুণগত মান, উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে বাস্তব বাণিজ্যিক সুফল অর্জনের সুযোগ পান।

তিনি আরও জানান, রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং প্রতি বছর একটি পণ্যকে ‘বর্ষপণ্য’ ঘোষণা করা হয়। এ বছর ২০২৬ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ‘পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টস’ ঘোষণা করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান ও এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. আব্দুর রহিম খান।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতীয় শোকের কারণে মেলার উদ্বোধন ১ জানুয়ারির পরিবর্তে ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।

এবারের মেলায় পলিথিন ও সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ সরবরাহ করা হবে। মেলার লে-আউট অনুযায়ী ৩২৪টি প্যাভিলিয়ন, স্টল ও রেস্টুরেন্ট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ভিওডি বাংলা/ এস/ আরিফ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
চলতি কর বছরে ৩০ লাখ ছাড়াল ই-রিটার্ন দাখিল
চলতি কর বছরে ৩০ লাখ ছাড়াল ই-রিটার্ন দাখিল
পোশাক কারখানায় এক দিনের ছুটি ঘোষণা
খালেদা জিয়ার মৃত্যু পোশাক কারখানায় এক দিনের ছুটি ঘোষণা
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এফবিসিসিআই’র শোক
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এফবিসিসিআই’র শোক