• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

কুড়িগ্রাম-৩

মনোনয়ন স্থগিতের প্রতিবাদে ডিসি কার্যালয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি    ৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৭ পি.এম.
মনোনয়ন স্থগিতের প্রতিবাদে ডিসি কার্যালয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ। ছবি: ভিওডি বাংলা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই প্রক্রিয়ায় কুড়িগ্রাম-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী মাহবুব আলম সালেহীর মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে স্থগিত ঘোষণাতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বিক্ষোভ করেছে জামায়াতের নেতাকর্মীরা। 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত সেনা, পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে চত্ত্বরে বর্তমান থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। 

‎রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা অন্নপূর্ণা দেবনাথ জামায়াত নেতাদের অসাদাচরণের বিষয়টি স্বীকার করেন। 

‎রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্র জানায়, জামায়াত প্রার্থী মাহাবুব আলম সালেহীর দৈত নাগরিকত্ব থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। 

‎রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্র আরো জানায়, গত শুক্রবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দ্বিতীয় কার্যদিবসে কুড়িগ্রাম-৩ আসনের মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়। ‎এতে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৭ প্রার্থীর মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী মাহবুব আলম সালেহীর  মনোনয়নপত্র স্থগিত ও বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল খালেকের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তবে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বাকী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। 

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাহবুব আলম সালেহী বলেন, "আজ কাগজপত্র অধিকতর যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত দেয়ার কথা ছিল। তা না করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বায়াস্ট হয়ে ইন্টেনশনালি ভুল ডিসিশন দিয়েছেন। এই ডিসির অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আমি উচ্চ আদালতে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আমার মনোনয়নপত্র বৈধ করবো ইনশাআল্লাহ। 

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম রিটার্নিং কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, জামায়াত প্রার্থীর দৈত নাগরিকত্ব (ইংল্যাণ্ডের) নাগরিকত্ব থাকায় আইন অনুযায়ী তার প্রার্থীতা স্থগিত করা হয়েছিল। তবে আজ ৪ তারিখের মধ্যে তিনি বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল খালেকের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী ১% ভোটারের স্বাক্ষর থাকতে হবে সেখেত্রে তিনি যে ভোটারের স্বাক্ষর যুক্ত পেপার্স জমা দিয়েছেন তার সত্যতা পাওয়া যায়নি তাই আইন অনুযায়ী তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছে।

‎এ ব্যাপারে ‎জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, "নির্বাচন বিধিমালার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থীরা আপিল করার সুযোগ পাবেন আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত। উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থীরা বৈধতা পেলে সেক্ষেত্রে তাদের নির্বাচনী কার্যক্রমে বাঁধা দেয়ার এখতিয়ার আমাদের নেই।

ভিওডি বাংলা/ আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার প্রয়াণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল
বাকৃবিতে খালেদা জিয়ার স্মরণে শোক বই
বাকৃবিতে খালেদা জিয়ার স্মরণে শোক বই
এলপিজি ডিলারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলপিজি ডিলারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা