কসবায় শ্রমিক দলের নেতাকে কুপিয়ে জখম

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পরও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগপন্থি সন্ত্রাসী চক্র এখনো সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। কখনো প্রশাসনের ছত্রচ্ছায়ায়, আবার কখনো অন্য রাজনৈতিক দলের আশ্রয়ে তারা অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে এসেছে।
ভুক্তভোগী মো. হিরন মিয়া জানান, গত ১৩ আগস্ট ২০২৪ তারিখে কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল (সাতপাড়া) গ্রামে তাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে তৎকালীন আইনমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মোকাদ্দেস মোল্লা হৃদয় (৪৫), পিতা- শাহ আলম এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রাশেদুল কাউছার জীবনের অনুসারীরা।
হামলার পর তিনি দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করলেও সন্ত্রাসী চক্রের লাগাতার হুমকির কারণে তিনি কার্যত গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, “আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে-বেশি কথা বললে প্রাণে মেরে ফেলবে।”
তিনি অভিযোগ করেন, মামলাও করে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। অভিযুক্তরা অর্থ ও প্রভাব খাটিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে। আরও অভিযোগ করা হয়, মোকাদ্দেস মোল্লা হৃদয় সম্প্রতি বিপুল অর্থের বিনিময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির ১৪৯ নম্বর সদস্য পদ পেয়েছেন, যা রাজনৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।
এই অভিযোগগুলো তিনি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন গতকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) শিমরাইল গ্রামের নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক বিশেষ দোয়া মাহফিলে, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণ উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোকাদ্দেস মোল্লা হৃদয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ভিওডি বাংলা/জা







