দু’দেশের ইস্যুতে ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বিসিবি

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কিত সাম্প্রতিক ইস্যু এবং মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর সৃষ্টি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে মূল আলোচ্য বিষয় ছিল আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং ভেন্যু সংক্রান্ত করণীয়।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলসহ বোর্ডের ১৪ জন পরিচালক। এছাড়া কয়েকজন পরিচালক অনলাইনে (জুম) যুক্ত ছিলেন। বৈঠক শেষে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে বিসিবি আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে, যাতে ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপে খেলতে বাংলাদেশ আগ্রহী নয়। সেই চিঠির জবাবে আইসিসি বাংলাদেশের পূর্ণ ও নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিবির উদ্বেগ সমাধানে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
গত শনিবার কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশনায়। এরপর থেকে বাংলাদেশ দলের ভারতে ম্যাচ খেলা নিয়ে নিরাপত্তা ও ঝুঁকির প্রশ্নে আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকারের একাধিক উপদেষ্টাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, যদি বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপ না খেলতে যায় তাহলে পয়েন্ট কাটা হতে পারে। তবে বিসিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটিকে ভিত্তিহীন দাবি উল্লেখ করেছে এবং একই সঙ্গে আইসিসির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
সূচি অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের প্রথম দিন ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে বাংলাদেশ–ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এরপর ৯ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি একই মাঠে বাংলাদেশ ইতালি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ১৬ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে নেপালের বিপক্ষে।
যদি ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে বাংলাদেশ দলের চারটি ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ‘বি’ গ্রুপের কিছু ম্যাচ ভারতের অন্য ভেন্যুতে ভাগ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের ক্রিকেট এবং খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত রেখে বিশ্বকাপে নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। বিষয়টি নিয়ে ভবিষ্যতে আরও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
ভিওডি বাংলা/জা







