হাসনাত আব্দুল্লাহ
ইতোমধ্যেই চাঁদাবাজদের ঘুম হারাম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১২ দলীয় জোটের কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘চাঁদাবাজদের ঘুম ইতোমধ্যে হারাম হয়ে গেছে। কোনো উপায় না পেয়ে তারা এখন ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো শুরু করেছে।’
তিনি বলেন, ফোন করে মানুষকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে—কেন্দ্র দখল করা হবে, ভোট দিতে দেওয়া হবে না, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হবে। এসব অপচেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের ধলাশ গ্রামে ভারতীয় আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘শহীদ ওসমান হাদি চাঁদাবাজি ও ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই কারণেই তারা তাকে বাঁচতে দেয়নি। আমরা শহীদ ওসমান হাদির রেখে যাওয়া কাজ বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছি।’
তিনি আরও বলেন, যারা গুন্ডা-হুন্ডা দিয়ে রাজনীতি করতে চায়, তারা সাবধান হয়ে যান। এ ধরনের রাজনীতি আর চলবে না। জনগণ এখন সচেতন। তারা কোনো ঋণখেলাপি কিংবা দুর্নীতিবাজকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। যারা নির্বাচিত হয়ে জনগণের অর্থ লুটপাট করবে, গোমতীর মাটি লুট করবে—এই জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
সংস্কারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চান, নিজের ভোট নিজে দিতে চান এবং ভারতীয় গুন্ডামি বন্ধ করতে চান, তাহলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন। আপনাদের ‘হ্যাঁ’ ভোটেই গড়ে উঠবে আগামীর বাংলাদেশ।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন ব্যতিক্রমী নেতা। তিনি মুড়ি-বাতাসা নিয়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন। তার লক্ষ্য ছিল দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করা এবং মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, আজ গ্রামে গ্রামে মা-বোন ও বৃদ্ধ বাবারা শহীদ হাদির জন্য দোয়া করছেন। রাষ্ট্রে যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেই দায়িত্ব আমরা নিয়েছি। আমরা শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করেই ঘরে ফিরব।
পরে শহীদ ওসমান হাদির আত্মার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত করা হয়।
গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. জসিম উদ্দিন পাঠানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মো. নাঈম বিন মুসাসহ ইউনিয়ন জামায়াত ও এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ভিওডি বাংলা/ আ







