ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে, নির্বাচনে বৈধ বিএনপি প্রার্থী কাজী রফিক

বগুড়া-১ (সোনাতলা–সারিয়াকান্দি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন—এমন একটি ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বাস্তবে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা হারাননি।
জানা গেছে, বেসরকারি দুটি ব্যাংকের ঋণসংক্রান্ত বিষয়ে উচ্চ আদালত থেকে নেওয়া একটি স্টে অর্ডার সংক্রান্ত আদেশকে কেন্দ্র করে এই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ওই স্টে অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, যেন কাজী রফিকুল ইসলামকে সিআইবি প্রতিবেদনে ঋণখেলাপি হিসেবে দেখানো না হয়। সম্প্রতি ওই স্টে অর্ডারের বিপক্ষে একটি আদেশ দেওয়া হয়। তবে সেই আদেশ তার প্রার্থিতা বাতিল সংক্রান্ত নয়, বরং কেবল স্টে অর্ডার সংক্রান্ত, যা বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন।
এরই মধ্যে ওই আদেশের পর কাজী রফিকুল ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করলে আদালত আগের আদেশ স্থগিত করেন। তবে কাজী রফিকুল ইসলাম আগামী কার্যদিবস রবিবার এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।
কাজী রফিকুল ইসলামের আইনজীবী জানান, মনোনয়ন বাছাইয়ের দিন তিনি ঋণখেলাপি ছিলেন না। ফলে আইন অনুযায়ী তার প্রার্থিতা সম্পূর্ণ বৈধ। এই বিষয়টি যাচাই করে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বগুড়া জেলা প্রশাসক তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন।
এ বিষয়ে কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “এই আদেশের সঙ্গে আমার প্রার্থিতা বাতিলের কোনো সম্পর্ক নেই। নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টি মোকাবিলা করছি।”
আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর অযোগ্যতা নির্ধারণ করা হয় মনোনয়ন বাছাইয়ের তারিখে। ওই দিন প্রার্থী ঋণখেলাপি থাকলেই কেবল প্রার্থিতা বাতিল হয়। যেহেতু মনোনয়ন বাছাইয়ের দিন পর্যন্ত কাজী রফিকুল ইসলাম ঋণখেলাপি ছিলেন না, তাই তার প্রার্থিতা আইনগতভাবে বহাল রয়েছে।
বগুড়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কাজী রফিকুল ইসলামের প্রার্থিতা বৈধ থাকায় সোনাতলা ও সারিয়াকান্দি এলাকার বিএনপির নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে সন্তোষ ও উৎসাহ বিরাজ করছে।
ভিওডি বাংলা/ আ







