• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ইশরাক হোসেন

খালেদা জিয়ার ত্যাগের প্রতিদান হবে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০০ পি.এম.
কবি নজরুল ইসলাম কলেজ মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার স্বরণে শোক সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন ইশরাক হোসেন। ছবি: ভিওডি বাংলা

বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগের প্রকৃত প্রতিদান দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৯ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে দলের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীতে কবি নজরুল ইসলাম কলেজ মাঠে বাহাদুর শাহ পার্কের সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, ওয়ারি, কোতোয়ালি, বংশাল এলাকার জনগণের পক্ষে বেগম খালেদা জিয়ার স্বরণে শোক সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। কবি নজরুল ইসলাম কলেজ মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার স্বরণে শোক সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন ইশরাক হোসেন।

বক্তব্য রাখছেন ইশরাক হোসেন।

ইশরাক বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ ছিল বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। এই লক্ষ্যেই তিনি আজীবন লড়াই-সংগ্রাম করেছেন। আমরা ইনশাল্লাহ বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমেই তাঁর সকল ত্যাগের প্রতিদান দেব।"

বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও পরকালীন মুক্তির জন্য সবাইকে মন খুলে দোয়া করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এত কোটি মানুষের দোয়ার হাত উঠেছে আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয়ই কারো না কারো দোয়া কবুল করবেন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ স্থান দান করবেন।

তিনি বেগম খালেদা জিয়ার একটি ঐতিহাসিক ভূমিকার কথাও তুলে ধরে বলেন, “কয়েকদিন আগে একজন ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তার মুখে একটি ঘটনা শুনেছি। চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে কর্নেল জানজুয়া বাঙালি ও বাংলাভাষী অফিসারদের অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। তখন মেজর জিয়া ক্যান্টনমেন্টে উপস্থিত ছিলেন না।"

বক্তব্য রাখছেন ইশরাক হোসেন।

সেই সময় বাংলাভাষী অফিসাররা দৌড়ে মেজর জিয়ার বাসভবনে গেলে, শিশু সন্তান কোলে নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া তাঁদের বলেন মেজর জিয়া ফিরে না আসা পর্যন্ত এবং নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যেন কেউ অস্ত্র সমর্পণ না করেন। এই ছোট ছোট ঘটনাই প্রমাণ করে তিনি একজন সাহসী নারী এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন দাবি করেন, এসব ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটই প্রমাণ করে যে বেগম খালেদা জিয়াকে প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দলীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি যথার্থ।

তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য দোয়া কামনা করে বলেন, “মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁর হাত ধরে আমাদের বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার তৌফিক দান করেন।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, বিএনপির সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক কাজী আবুল বাশার,ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মকবুল হোসেন টিপু, ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের আহবায়ক সুমন ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মে দলের সদস্য সচিব  অ্যাডভোকেট কে এম কামরুজ্জামান নান্নু, মহানগর যুবদল নেতা মঞ্জু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূঁইয়া সহ প্রমুখ।

ভিওডি বাংলা/ সবুজ/ আরিফ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
পায়ে হেঁটে বাসা থেকে অফিসে তারেক রহমান
পায়ে হেঁটে বাসা থেকে অফিসে তারেক রহমান
নাজিমুদ্দিনকে সুখবর দিল বিএনপি
নাজিমুদ্দিনকে সুখবর দিল বিএনপি
ভোটের মাধ্যমেই ফিরবে জনগণের মালিকানা
হাবিবুর রশিদ ভোটের মাধ্যমেই ফিরবে জনগণের মালিকানা