নিরাপত্তা ও ভোটের পরিবেশ নিয়ে বিশ্লেষকদের শঙ্কা

নির্বাচনের সময় যতই এগিয়ে আসছে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তত শঙ্কা বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সাধারণ ভোটাররা নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ হারাবেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত ১২ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদী হত্যার পরই প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এক মাস না যেতেই ৭ জানুয়ারি গুলি করে হত্যা করা হয় ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে।
এ অবস্থায় নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলছে বিএনপি। তবে পতিত শক্তি ভোট বানচালের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
নির্বাচনের আগে এসব হত্যাকাণ্ড ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করবে, যা ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন অনেকে। বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক গণঅধিকার পরিষদের নেতা রাশেদ খাঁন বলেন, ‘পুরো দেশকে নিরাপদ করতে হবে। অন্তবর্তী সরকার এ বিষয়ে কিছু করতে পারেনি। যদিও সব দল এখন সহযোগিতা করছে।’
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাইফুল হক বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে বড় চ্যালেঞ্জ প্রার্থীদের নিরাপত্তা, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা। মানুষ যাতে নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারে এবং ফিরে যেতে পারে।’
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি কেমন হবে তা নির্ভর করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার ওপর।
সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, ‘নির্বাচনের মতো বড় রাজনৈতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে রাজনীতি না হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে যে ঘাটতি আছে, সেটি সবাই মিলে পূরণ করতে হবে। দোষারোপ বন্ধ হোক এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাজনীতি কিংবা ইঙ্গিতপূর্ণ রাজনীতি বন্ধ হোক।’
বহু আকাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবাই নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন, এমন প্রত্যাশা ভোটারদের।







