বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ
স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করার ঘোষণা কাদের সিদ্দিকীর

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, দলীয়ভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিলেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচনী কার্যক্রমে যুক্ত হতে চান। টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রাসেলের পক্ষে তিনি নির্বাচন করতে চান বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিশেষ কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী।
তিনি বলেন, “যেহেতু আমরা দলীয়ভাবে নির্বাচনে যাইনি, আমাদের কোনো কিছু করা উচিত না। তারপরও আমি ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচন করতে চাই। দাড়িয়াপুরের চেয়ারম্যান আসিফকে গ্রেপ্তার করানো এবং পরে জেল থেকে বের করে আনার পেছনে আহমেদ আযম খানের ভূমিকা রয়েছে। তার এ ধরনের অপকর্ম বন্ধ করতেই আমি সালাউদ্দিন রাসেলের নির্বাচন করতে চাই।”
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল-৮ আসনের দলীয় প্রার্থী আহমেদ আযম খানের কঠোর সমালোচনা করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, “তিনি নিজেকে ‘বাতেন বাহিনীর’ মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাসাইল-সখীপুর এলাকায় কাদেরিয়া বাহিনী ছাড়া অন্য কোনো বাহিনীর অস্তিত্ব ছিল না। তিনি চরম মিথ্যাবাদী।”
তিনি আরও বলেন, “আমি মিথ্যাবাদীকে কখনো সমর্থন করতে পারি না। মহান আল্লাহও মিথ্যাবাদীকে ঘৃণা করেন। আহমেদ আযম খান পাকিস্তানি হানাদারদের চেয়েও খারাপ। আমি তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধানের শীষের নির্বাচন করতে পারি, কিন্তু ভুলেও আহমেদ আযম খানের নির্বাচন সমর্থন করবো না।”
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি যদি নির্বাচনে অংশ নিতাম, তোমরা যেভাবে আমার পাশে থাকতে, সেভাবেই সালাউদ্দিন রাসেলের পাশে থাকবে। ১৯৭১ সালে যেভাবে আমরা যুদ্ধে নেমেছিলাম, আসন্ন নির্বাচনেও সেভাবেই স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রাসেলের পক্ষে মাঠে থাকতে হবে।”
সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুস সবুর খানের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুর রহমান, টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক হিটলু, বাসাইল উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র রাহাত হাসান টিপু, কালিহাতী উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক ইথার সিদ্দিকীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
ভিওডি বাংলা/ আ







