অবৈধতা ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা ইশরাকের

ঢাকা–৬ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশে অবৈধতা, অনৈতিকতা ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে তার দল অতীতেও যেমন অবস্থান নিয়েছে, ভবিষ্যতেও তেমনি কঠোর অবস্থানে থাকবে।
তিনি বলেন, “নির্বাচিত হই বা না হই, সরকার গঠন করতে পারি বা না পারি আমাদের নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস হবে না।”
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর কলতাবাজার রোকনপুর কমিউনিটি সেন্টারে কলতাবাজারবাসীর আয়োজনে কলতাবাজার গাড়ীখানা জামে মসজিদে বয়স্কদের কুরআন শিক্ষা কার্যক্রম, কুরআন শরীফ বিতরণী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে ইসলাম ও কোরআনকে গুরুত্ব দেওয়া বিএনপির আদর্শিক অবস্থান। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম’ এবং ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা’ যুক্ত করেছিলেন।
তিনি বলেন, “১৭ বছর পর দেশে আবার নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক চর্চার রেওয়াজ শুরু হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। আমি জনগণের সেবক হিসেবে আজীবন জনগণের পাশে থাকতে চাই। ”
এসময় বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।
ইশরাক হোসেন বলেন, বিগত সরকার আমলে মেয়র তাপস রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় একটি অপসংস্কৃতি সমাজে প্রবেশ করিয়েছিল, যা ইসলাম, সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নৈতিকতা ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, “একটি উৎসবের আড়ালে যেসব অবৈধ, অনৈতিক ও ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে, তা জনগণ মেনে নেয়নি। শহীদদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণ সেই অপশাসনের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। স্বৈরাচার কি বিদায় করেছে।”
ইশরাক হোসেন বলেন, “যতদিন আল্লাহ আমাকে জীবন দেবেন, ততদিন জনগণের সেবা ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে যাব।”
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মাওলানা তরিকুল ইসলাম, মুফতি ওবাদা আব্দুল্লাহ, মুফতি মুয়াজ খান,মুফতি আহসান উল্লাহ হামিদী, মুফতি ওমর ফারুক, মুফতি হাফিজুর রহমান সহ প্রমুখ।
ভিওডি বাংলা/ সবুজ/ আরিফ







