রাজৈর
পৈতৃক জমি দখল করে মিথ্যা মামলা, ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

মাদারীপুরের রাজৈরে পৈতৃক জমি জোরপূর্বক দখল করে রেখে উল্টো ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা দিয়েছেন দখলদার শাহাবুদ্দিন মুন্সী ওরফে মাতুব্বর (৬২) গংয়েরা।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে এর প্রতিবাদে উপজেলার হরিদাস-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নের পশ্চিম মহেন্দ্রদী এলাকায় নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দিয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন অভিযুক্তরা। ভুক্তভোগী সরোয়ার হোসেন (৫২) ওই এলাকার মৃত আব্দুল গফুর মাতুব্বরের ছেলে। এ ঘটনায় তিনি মাদারীপুর আদালতে শাহাবুদ্দিন গংদের বিরুদ্ধে ভূমি আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সিরাজ মুন্সী, বিএনপি নেতা আঃ আলীম মুন্সী, ইসলামি আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত মুন্সী, জাফর মুন্সী ও নাসির মুন্সী প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে সরোয়ার হোসেন বলেন, হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড পশ্চিম মহেন্দ্রদী এলাকায় ২৩ নং মহেন্দ্রদী মৌজায় বিআরএস ২৩৫ নং খতিয়ানে ৩৭৮ দাগে মোট ৫২ শতাংশ জমি আমার বাবা আব্দুল গফুর ও ৩ ফুফুর নামে রেকর্ড হয়। এর মধ্য থেকে আমার বাবার ১৪ শতাংশ ও একই দাগে ২৩১ নং খতিয়ানে আরও ৫ শতাংশের মালিক হন। বর্তমানে আমরা ওয়ারিশ সূত্রে এই ১৯ শতাংশ জমির মালিক। কিন্তু আমরা সাড়ে ১২ শতাংশের দখলে আছি। বাকি সাড়ে ৬ শতাংশ জমি প্রতিবেশী প্রভাবশালী শাহাবুদ্দিন ও তার লোকজন জোরপূর্বক দখল করে নিয়ে গেছে। বেশ কয়েকবার স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা সালিসিতে বসে মিমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। পরে বাধ্য হয়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে মাদারীপুরের বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভূমি আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার সিআর মামলা নং-৮৩১/২০২৫ (রাজৈর)। মামলাটি ২০২৩ সালের ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের ৪(১)(ক), ৫(১)(ক), ৭, ৮ ও ১০ ধারায় রুজু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মামলাটির বিষয়ে আদালতের নির্দেশে সরজমিনে এসে পুরো জায়গা মেপে ৫২ শতাংশের স্থানে নকশা অনুযায়ী ৪৬ শতাংশ পান রাজৈর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মহিউদ্দিন। এ অনুযায়ী আমাদের জায়গা থাকে ১৬ দশমিক ৮০ শতাংশ। তাতেও শাহাবুদ্দিনদের মধ্যে আরও ৪ দশমিক ৮০ শতাংশ জায়গা পাবো। কিন্তু তারা কোন ভাবেই দখল ছাড়ছে না। বরং আমাদের বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যা হুমকি ধামকির মামলা দায়ের করেছে এবং আমার করা মামলার স্বাক্ষীদেরও আসামি করেছে। আমার দাবি আইনের মাধ্যমে আমি যেন ন্যায়বিচার পাই এবং নিজের পৈতৃক জমিটুকু রক্ষা করতে পারি, সুষ্ঠু একটা সমাধান পাই।
ভিওডি বাংলা/ আ







