বিপিএলে প্রথম বিদায় নোয়াখালী এক্সপ্রেসের

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নবাগত নোয়াখালী এক্সপ্রেস প্রথম দল হিসেবে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল। টানা ছয় ম্যাচ হারের পর দুটি জয় পেয়ে প্লে-অফের স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিল নোয়াখালী। তবে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপুল জয় সেই স্বপ্ন শেষ করে দিয়েছে। দিনের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম ৫ উইকেটে জয়ী হয়ে নোয়াখালীকে বিদায় দিতে বাধ্য হয়।
ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে নোয়াখালী ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৯ রান করতে সক্ষম হয়। শুরুতে ওপেনার সৌম্য সরকার ১৪ রানে আউট হয়ে গেলে দল তাড়াহুড়োতে পড়ে। এরপর মাত্র তিন ব্যাটারই বিশের ঘর পার করতে পারে। জাকের আলী ২৩ এবং সাব্বির হোসেন ২২ রান করে। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারের শেষ বলে হাসান ইসাখিলকে থামান চট্টগ্রামের পেসার শরিফুল। ইনিংসের ১৬তম ওভারে পরপর দুই বলে হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান রানাকে ফেরান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩.৫ ওভারে ৫ উইকেট নিয়ে নেন এই আসরের দ্বিতীয় সেরা বোলিং করে।
চট্টগ্রামের জবাবে শুরুটা ভালো যায়নি। মাত্র ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দল। তবে পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান ও হাসান নেওয়াজ দলকে সমর্থন দেন। দুজন মিলে ৪০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। এরপর আসিফ আলীকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন মেহেদী।
চট্টগ্রামের অধিনায়ক মেহেদী হাসান ফিফটির কাছাকাছি ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া আসিফ আলী অপ্রতিরোধ্য ৩৬ রানের ইনিংস খেলেন। মোহাম্মদ নাঈম শেখ ১৮, হাসান নেওয়াজ ১১ ও মোহাম্মদ হারিস ৭ রান করেন। আর মাহমুদুল হাসান জয় ও মাহফিজুল ইসলাম কোনো রান করতে পারেননি।
নোয়াখালীর ইনিংসে শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক। প্রথম ৩.১ ওভারে ৩৪ রান তুলে ওপেনার সৌম্য সরকার বিদায় নেন। তবে এরপর দলের ব্যাটিং ভেঙে পড়ে। শেষ পর্যন্ত নোয়াখালী ২০ ওভারে মাত্র ১২৯ রানে অলআউট হয়। চট্টগ্রামের জন্য শরিফুল এই ইনিংসে ৩.৫ ওভারে ৯ রান খরচ করে ৫ উইকেট নেন। সিলেট টাইটান্সের নাসুম আহমেদও নোয়াখালীর বিপক্ষে ৪ ওভারে ৭ রান খরচ করে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন।
চট্টগ্রামের পেসার ফাহিম আশরাফও এই আসরে প্রথম পাঁচ উইকেট নেন। পাকিস্তানি পেসার চট্টগ্রামের বিপক্ষে ৩.৫ ওভারে ১৭ রান খরচ করেন। চট্টগ্রাম রয়্যালসের জয়ের ফলে নোয়াখালী এক্সপ্রেস প্রথম দল হিসেবে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল, ফলে তাদের প্লে-অফের আশা শেষ হয়ে গেছে।
ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামের অধিনায়ক মেহেদী হাসান বলেন, “টিমের সঙ্গে সবাই চমৎকারভাবে খেলেছে। যেকোনো চাপে ধৈর্য ধরে জয় নিশ্চিত করা আমাদের জন্য বড় সাফল্য।” নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য এবারের বিপিএল অভিজ্ঞতা নতুন শিক্ষার একটি ধাপ ছিল।
ভিওডি বাংলা/জা







