ইশরাক হোসেন
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমান অধিকার ও নিরাপদ এলাকা গড়ব

ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয় মানুষ হিসেবে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানী এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
গোপীবাগ সেকেন্ড লাইনে জন্ম ও বেড়ে ওঠার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি শিখেছেন হিন্দু-মুসলমানসহ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করে এবং কোনো ধর্মকে বড় বা ছোট হিসেবে দেখার শিক্ষা তাঁকে কখনো দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, ‘আমরা মানুষ হিসেবে, নাগরিক হিসেবে এই পৃথিবীতে সমান অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার শিক্ষা নিয়ে বড় হয়েছি।’
তিনি বলেন, অতীতে তাঁর কোনো সরকারি বা সাংগঠনিক দায়িত্ব না থাকায় আইনশৃঙ্খলা বা আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়টি তাঁর দায়িত্বের আওতায় ছিল না।
তবে ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকলে অবৈধ স্থাপনা, ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজিসহ যেকোনো অনিয়ম কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, অতীতে বা ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিএনপি কিংবা অন্য কোনো দলের নাম ব্যবহার করে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
এলাকার সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, দিন-রাত যেকোনো সময় নারী, শিশু, বয়স্কসহ সকল নাগরিক যেন নিরাপদে চলাচল করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যতিক্রম বা ছাড় দেওয়া হবে না।
নির্বাচন প্রসঙ্গে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, তিনি আশা করছেন আসন্ন নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও আনন্দময় পরিবেশে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে প্রতি পাঁচ বছর পরপর নিয়মিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জয়-পরাজয় থাকলেও জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি এখানে নির্বাচনী প্রচারণা করতে বা ভোট চাইতে আসিনি। দলের একজন প্রার্থী হিসেবে একটি দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে। সেই দায়িত্ব থেকেই আপনাদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে এসেছি।’ ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এলাকাবাসীর ছোট-বড় সব সমস্যা শোনার এবং সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার আশ্বাস দেন তিনি।
ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, প্রতিশ্রুতি দেওয়া সহজ, কিন্তু তিনি কথা নয়—কর্মের মাধ্যমে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে চান। নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, তিনি আজীবন এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ননী গোপাল মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক, রঘুবতী সেন সাবেক তারাটি, শ্রীকান্ত বসাক, গোবিন্ত গৌতম, সদেব রাজবংশী, বাদিল কুমার, মোঃ আবুল কাশেম, শ্রী শ্রী ভোলানন্দগিরি আশ্রম ট্রাস্ট, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জামেল হক মুক্তা, যুগ্ন আহবায়ক ওয়ারী থানা বিএনপি।
ভিওডি বাংলা/ সবুজ/ আরিফ







