ধর্ম উপদেষ্টা
জাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় ১০ বছরে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব

জাকাতের সুষ্ঠু আহরণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, দেশে ধনীরা যদি শরিয়াহসম্মতভাবে জাকাত প্রদান করেন এবং তা সঠিকভাবে বিতরণ করা যায়, তাহলে আগামী ১০ বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ‘জাকাতের সুষ্ঠু আহরণ ও বণ্টনের মাধ্যমে আমরা দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি বিদেশিদের কাছে হাত পাতার হীন প্রবণতাও বন্ধ করতে পারি।’
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত জাকাত কনফারেন্স–২০২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান মাস্তুল ফাউন্ডেশন এ কনফারেন্সের আয়োজন করে।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, দারিদ্র্য যে কোনো জাতির জন্যই অভিশাপ। একটি রাষ্ট্রের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে সেখানে স্থিতিশীলতা বিরাজ করে। কিন্তু দারিদ্র্য কোনো রাষ্ট্রকে গ্রাস করলে সে রাষ্ট্র মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। এ প্রেক্ষাপটে দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাতের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।
রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় জাকাত আহরণ ও বিতরণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ড. খালিদ হোসেন বলেন, ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে কয়েকশ বছর পর্যন্ত জাকাত রাষ্ট্রীয়ভাবে আদায় ও বণ্টন করা হতো। সুষ্ঠু জাকাত ব্যবস্থাপনার ফলে হজরত ওমর (রা.)-এর খেলাফতের সময় মিসরসহ বিভিন্ন প্রদেশে জাকাত গ্রহণ করার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যেত না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে শরিয়াহ আইন অনুপস্থিত থাকায় জাকাত আহরণ ও বিতরণ এখনো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। ফলে কেউ ইচ্ছা করলে জাকাত দেন, আবার কেউ না-ও দেন। শরিয়তের বিধান অনুযায়ী জাকাত আদায়ে সবাইকে সচেতন ও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ভিওডি বাংলা/এম/ আরিফ






