• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

রাতে রুটি খাওয়া:

স্বাস্থ্যকর না ক্ষতিকর? বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিকোণ

লাইফস্টাইল    ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৩ পি.এম.
রাতে ভাতের বদলে রুটি খাওয়ার প্রভাব ও সতর্কতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ-ছবি: সংগৃহীত

রাতে রুটি খাওয়া অনেকের কাছে স্বাস্থ্যকর ধারণা হলেও সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, এটি কিছু নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গমের তৈরি রুটি শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে পারে। তাই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা রাতে রুটি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন।

ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য যারা নিয়মিত রাতে রুটি খান, তাদের ত্বক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন। রুটি খাওয়ার ফলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা কমে যেতে পারে, যার ফলে ত্বক দ্রুত কুঁচকে যেতে পারে এবং বলিরেখা পড়ার ঝুঁকি থাকে। এছাড়া অতিরিক্ত রুটি খেলে চুল পড়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়মিত রাতে রুটি খেলে মানসিক অবসাদ ও ডিপ্রেশনের প্রবণতা বাড়তে পারে। কারও কারও শরীরে রুটি হজমের ক্ষমতা কম থাকায় রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়, যা উচ্চ রক্তচাপ ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যার কারণ হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে পেটে গ্যাস বা অস্বস্তি হওয়ার ঘটনাও দেখা যায়।

যাইহোক, সব দিকেই নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায় না। ডায়েটেশিয়ানদের মতে, যাদের শরীর রুটির সাথে মানিয়ে গেছে, তাদের জন্য এটি ফিট থাকার একটি মাধ্যম হতে পারে। কারণ রুটিতে ক্যালোরি তুলনামূলকভাবে কম থাকে। এছাড়া এতে রয়েছে কিছু ভিটামিন ও খনিজ, যা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, রাতে রুটি খাওয়ার আগে ব্যক্তিগত শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করা জরুরি। বিশেষ করে হজম সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, ত্বক বা চুলের সমস্যা থাকলে ডায়েটেশিয়ান বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সার্বিকভাবে বলা যায়, রাতে রুটি খাওয়ার প্রভাব ব্যক্তিভেদে পরিবর্তিত হতে পারে। কেউ এটি স্বাভাবিকভাবে হজম করতে পারলেও, কারও জন্য এটি অস্বস্তি ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই ডায়েট এবং স্বাস্থ্য অনুসারে রাতের খাবার নির্বাচন করা সবচেয়ে নিরাপদ।

সূত্র: জি নিউজ

ভিওডি বাংলা/জা
 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
হঠাৎ কেন বাড়ছে ‘সাইলেন্ট ডিভোর্স’
হঠাৎ কেন বাড়ছে ‘সাইলেন্ট ডিভোর্স’
পেটের সমস্যায় প্রোবায়োটিক পানীয় ‘কাঞ্জি’
পেটের সমস্যায় প্রোবায়োটিক পানীয় ‘কাঞ্জি’
সন্তান লালন-পালনে যেসব পরামর্শ
সন্তান লালন-পালনে যেসব পরামর্শ