কঙ্গোতে যমজ শাবক জন্ম দিলো বিপন্ন পাহাড়ি গরিলা

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর ভিরুঙ্গা ন্যাশনাল পার্কে বিপন্ন পাহাড়ি গরিলা মাফুকো যমজ শাবক জন্ম দিয়েছে। সংরক্ষণকর্মীরা জানিয়েছেন, মা গরিলাটি শাবক দুটিকে ভালোভাবে লালনপালন করছে। তবে প্রথম কয়েক সপ্তাহকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময় হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ উচ্চ শিশু মৃত্যুহার পাহাড়ি গরিলাদের ক্ষেত্রে সাধারণ।
পার্কের গরিলা পর্যবেক্ষণ বিভাগের প্রধান জ্যাক কাটুটু জানিয়েছেন, পাহাড়ি গরিলাদের মধ্যে যমজের জন্ম বিরল এবং টিকে থাকা বড় চ্যালেঞ্জ। ৩ জানুয়ারি প্রথম শাবক দুটিকে দেখা যায়। এরপর থেকে মা ও শাবকদের প্রতিদিন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
এর আগে, ২০১৬ সালে মাফুকোর যমজ শাবক জন্ম নিয়েছিল, কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে তারা মারা যায়। নতুন শাবক দুটি ভিরুঙ্গার সবচেয়ে বড় গরিলা পরিবার ‘বাগেনি’ গোষ্ঠীতে জন্ম নিয়েছে, যেখানে বর্তমানে ৫৯টি গরিলা রয়েছে।
১৯৭০-এর দশকে পাহাড়ি গরিলার সংখ্যা মাত্র আড়াই শতকের মতো ছিল। দীর্ঘদিনের সংরক্ষণ প্রচেষ্টায় ২০১৮ সালে তাদের সংখ্যা এক হাজার ছাড়ায়। ফলে ‘অতি বিপন্ন’ তালিকা থেকে তাদের ‘বিপন্ন’ শ্রেণিতে নামানো হয়।
তবে ভিরুঙ্গা পার্ক এখনও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। গত দুই দশকে ২২০ জনের বেশি বনরক্ষী নিহত হয়েছেন। বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও সশস্ত্র চক্রের উপস্থিতি সংরক্ষণ কার্যক্রমকে কঠিন করে তুলছে।
সংরক্ষণবিদরা জানিয়েছেন, শাবক দুটির আচরণ আপাতত স্বাভাবিক এবং আশাব্যঞ্জক। তবে টিকে থাকার সম্ভাবনা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের নাম রাখা হবে না। এই যমজ শাবকের জন্ম গরিলা সংরক্ষণ ইতিহাসে বিরল ও আনন্দদায়ক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ভিওডি বাংলা/জা







