• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

নারী উন্নয়ন ও শিক্ষায় বিএনপির অবদান অতুলনীয়: আলাল

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৬ পি.এম.
ভাষানী মিলনায়তন হলরুমে খালেদা জিয়া স্মরণে আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আলাল-ছবি-ভিওডি বাংলা

নারীদের জীবনসংগ্রাম, মায়েদের ও বোনদের নানামুখী চ্যালেঞ্জ রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনার জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বাংলাদেশে মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। 

তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয়টি শুধুমাত্র নারীদের জীবনমান উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে কাজ করে এবং আজ পর্যন্ত এ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকারী অধিকাংশ মন্ত্রীই ছিলেন নারী। 

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ভাষানী মিলনায়তন হলরুমে মরহুম বেগম খালেদা জিয়া স্মরণে আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে  তিনি এসব কথা বলেন।

আলাল বলেন, এই ঢাকা শহর থেকে আজকে বিভিন্ন জায়গা থেকে আপনারা যারা এসেছেন পুরুষরাও আছেন, মহিলারাও আছেন। আপনারা জানেন আগারগাঁও একটি বস্তির নাম হচ্ছে বিএনপি বস্তি। সেখানে গেলে দেখবেন, যারা বসবাস করে তারা একবাক্যে বলবে ধানের শীষ ছাড়া তারা আর কিছু চেনে না। বিএনপির নেতাদের পরিচর্যা ও দায়িত্বশীল রাজনীতির কারণেই তারা সেখানে নিরাপত্তা পেয়েছে।

এডভোকেট আলাল আরও বলেন, মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নির্যাতিত নারীদের জন্য নির্যাতন প্রতিরোধ সেল, আইনি সহায়তা এবং রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচার চাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। সেখানে নিয়োজিত আইনজীবীরা নির্যাতিত নারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করেন।

বেগম খালেদা জিয়াকে নারী জাতির মহিয়সী উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীদের শিক্ষায় যে যুগান্তকারী পদক্ষেপ তিনি নিয়েছেন, তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। তিনি প্রথম উপলব্ধি করেছিলেন যে, ছেলেদের মতো সহজে মেয়েরা স্কুলে যাতায়াত করতে পারে না। এজন্য অনেক পরিবার মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহী হয় না। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করেই তিনি প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করেন।

যুবদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, শুধু বিনামূল্যে শিক্ষা নয়, স্কুলে মেয়েদের পাঠালে পরিবারকে চাল, আটা ও পরে নগদ উপবৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থাও করেন বেগম খালেদা জিয়া। এই ধরনের পদক্ষেপ এর আগে কোনো নেতা বা কোনো দল নেয়নি।

বিএনপি নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে এডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, যে গাছে ফল বেশি, সেই গাছেই ঢিল মারা হয়। বিএনপি একটি ফলবান গাছ বলেই এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার হয়। যেসব গাছে ফল নেই, সেগুলোর দিকে কেউ তাকায়ও না।

তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন রাজনীতির অভাবেই মিথ্যা প্রচার ও অপপ্রচার চালানো হয়। কিন্তু শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান নেতৃত্ব তারেক রহমান তিন প্রজন্ম ধরেই নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নে বাস্তব কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি।

গার্মেন্টস সেক্টরে লাখো নারীর কর্মসংস্থানের পেছনেও বেগম খালেদা জিয়ার উৎসাহ ও বিএনপির নীতির বড় ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজ খুব কম নারীই আছেন যারা কাজ করেন না হোক তা গার্মেন্টসে, গৃহকর্মে কিংবা অন্য কোনো পেশায়।

প্রতীক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নির্বাচনের সব প্রতীকই মানুষ বানাতে পারে নৌকা, লাঙ্গল, দাঁড়িপাল্লা। কিন্তু ধান একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামীনই সৃষ্টি করতে পারেন। ধানের শীষের প্রতীকের দিকে হিংসার দৃষ্টিতে তাকিয়ে কোনো লাভ নেই।

 তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, মরহুম আরাফাত রহমান কোকো এবং  তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করেন। 

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, বিএনপি কাজের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার কারণেই জনগণের মনোযোগ শেষ পর্যন্ত ধানের শীষের দিকেই যাবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রবাসী দলের সভাপতি কালাম ফয়েজীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম জমাদ্দারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর আহম্মেদ, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবীর বেপারী, প্রবাসী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন শাহীনসহ ও আসাদুজ্জামান বাবুল প্রমুখ

ভিওডি বাংলা-সবুজ/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ
শোকজ খেলেন নাহিদ-নাসীরুদ্দীন
শোকজ খেলেন নাহিদ-নাসীরুদ্দীন
এনসিপি নির্বাচনে যাবে কি না পুনর্বিবেচনার সময় এসেছে
এনসিপি নির্বাচনে যাবে কি না পুনর্বিবেচনার সময় এসেছে