জনসম্মুখে প্রথম বক্তব্য দেওয়ার অনুভূতি জানালেন জাইমা রহমান

রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে গতকাল রোববার ‘জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শীর্ষক’ সংলাপে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নারী ক্ষমতায়িত হলে জাতির ভবিষ্যৎ বদলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।যখন নারীদের দূরে না ঠেলে স্বাগত জানানো হয়, তখন তারা কেবল নিজেদের জীবনই বদলায় না; তারা তাদের পরিবারের ভবিষ্যৎ এবং জাতির ভবিষ্যৎও বদলে দেয়। অনুষ্ঠানে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে জাইমা রহমানের বক্তব্য প্রশংসিত হয়।
এ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা আর অনুভূতি জানিয়ে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি। সোমবার সন্ধ্যায় ইংরেজি ভাষায় দেওয়া জাইমা রহমানের পোস্টটি নিচে তুলে ধরা হলো।
‘গতকালের ঘটনাকে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ কিছুর শুরু বলে মনে হয়েছে। এর বিস্তৃতি গ্রাম শহর ছাড়িয়ে প্রজন্ম জুড়ে। বাংলাদেশের নারীদের ক্ষমতায় ও ভবিষ্যত গঠনের রূপরেখা এখানে উঠে এসেছে। আমি আশা করি এই প্লাটফর্মের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। যেখান আমি শিখতে পারবো, নিজের কথা প্রচার করতে পারবো।
ডা. ফাহমিদা খাতুন, তামারা আবেদ হাসান, ও রুপালী চৌধুরীর মতো মানুষদের সঙ্গে মন একটি পথিকৃৎ প্ল্যাটফর্মে নিজের কথা শেয়ার করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আপনাদের দূরদর্শ কর্মকাণ্ড ও নিজ নিজ ক্ষেত্রে আলাদাভাবে নেতৃত্ব অব্যাহত রাখায় আপনাদের জানাই ধন্যবাদ।
সুমাইয়া আরজু মুহু, সৈয়দা আনান্ন্যা ফারিয়া, ডঃ হালিদা হনুম আক্তার, তানজিনা, মনিকা চাকমা, আফরোজ মুক্তা, এবং মামুনুর রশিদ ইফতিসহ বিভিন্ন খাতের অনেক গুণী ও দৃঢচেতা নারীর কথা শোনা এবং সবার সঙ্গে যুক্ত হওয়া আমাকে জন্য ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাদিয়াকে বিশেষভাবে বলছি, প্রশ্নোত্তর সেশন একটি গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ প্রশ্ন করার জন্য। আমি আনন্দিত আপনার মতো মেয়েরাই সমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালক কাজী জেসিনকে আন্তরিক ধন্যবাদ, আলোচনা সভাটি সুন্দরভাবে পরিচালনা করার জন্য। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আন্তরিক ধন্যবাদ, এই আলোচনায় বসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
যারা যথেষ্ট সময় ব্যয় করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আসলে অগ্রগতি তখনই ঘটে যখন আমরা একে অপরের কথা শুনি, এবং কথোপকথনে থাকি। দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হলেও আমাদের পারস্পরিক কথা বলা ও শোনা উচিত।
গতকালকেও মনে করিয়ে দেওয়া হল যে, নারীরাই এখন বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এই বিশ্বাস এখন কাজে পরিণত করতে হবে। ক্ষমতায়ন শুধুমাত্র বক্তৃতা বা নীতিমালায় সীমিত থাকতে পারে না; এটি আমাদের বাড়ি, কর্মক্ষেত্র এবং সংস্থায় ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরতে হবে। আর সেই কাজ নারীর পক্ষে একা করা সম্ভব না।
আমাদের এগিয়ে যেতে হলে পুরুষদের সমর্থন ও সহায়তা প্রয়োজন। সম্মিলিতভাবে আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা যে সুন্দর ভবিষ্যৎ চাই, তা গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
ভিওডি বাংলা/ এমএইচ




