মধুপুরে রাস্তা দখল করে বেড়া নির্মাণ, বিপাকে শিক্ষার্থী ও শতাধিক পরিবার

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাস্থ ১ নং ওয়ার্ডের জনসাধারণ ও স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দিনের যাতায়াতের রাস্তার মালিকানা দাবি করে বেড়া নির্মাণ করেছে একটি পরিবার।
বেড়া তৈরি ও গাছের চারা লাগিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় বিপাকে পড়েছেন একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ জনগণ। আর এই রাস্তা বন্ধের অভিযোগ উঠেছে গোসাইবাড়ী গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে মো. হযরত আলী নামের জনৈকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে এলাকাবাসী পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখত অভিযোগ দিয়ে সমাধান দাবি করা হয়েছে ।
রাস্তাটির অবস্থান উপজেলার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড জটাবাড়ীর গোসাইবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মুখ হতে পশ্চিম দিকে।
অভিযোগ সূত্র ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ৪০ বছর ধরে এলাকাবাসী ও গোসাইবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়সহ স্থানীয় তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রীরা এ রাস্তা দিয়ে নিয়মিত চলাচল করেন। হঠাৎ করে কয়েকদিন আগে হযরত আলী পারিবারিক বিরোধের কারণে তিনটি বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের চলাচলের এ রাস্তার মাঝ বরাবর বেড়া নির্মাণ, বিভিন্ন গাছ রোপন ও বাঁশের খুঁটি দিয়ে চলাচলের রাস্তা অবরুদ্ধ করে দেন। এতে করে বিপাকে পড়েন ওই এলাকার শিক্ষার্থী ও শতাধিক পরিবার।
গোসাইবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান জানান, এলাকাবাসীসহ শিক্ষার্থীরা গত ৩৫/৪০ বছর ধরে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে আসছে। হঠাৎ করে কয়েক দিন আগে হযরত আলী রাস্তার মাঝ বরাবর ও সম্মুখে বেড়া দিয়ে রাস্তা আটকা দেয়ায় এলাকাবাসীর ও ছাত্র ছাত্রীদের চলাচলে দারুন অসুবিধা হচ্ছে। পশ্চিম এলকার লোকদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা এটি হওয়ায় তারা বেশি বিপাকে পরেছে। এ ছাড়াও ওই এলাকার কোন মানুষ যদি অসুস্থ হয় তাহলে এটি দিয়েই তাদের জাতায়াত করতে হয়। তাই এটি উদ্ধারে প্রশাসনের দৃষ্টি দেয়া জরুরী।
পাশের জমির মালিক মো. শহীদ মিয়া জানান, আমি রাস্তা দেখেই পাশের জমিটি কিনেছি। এই জমি ক্রয়ের অন্তত ৩০ বছর আগে থেকেই এই রাস্তা বিদ্যমান। এখান দিয়ে স্কুল, মাদরাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পশ্চিম এলাকার প্রায় শতাধিক পরিবারের লোকজন যাতায়াত করে। হঠাৎ করে হযরত আলী রাস্তা কেন বন্ধ করলো সেটা আমি জানিনা। তবে রাস্তা বন্ধ করা ঠিক হয়নি।
এ বিষয়ে জমির মালিক হযরত আলী জানান,আমি টাকা দিয়ে এই জমি কিনেছি, পাশেই আমার বাড়ী। পুরো রাস্তার জন্য আমি জমি দিতে পারবো না।
ভিওডি বাংলা/ মোঃ লিটন সরকার/ আ







