যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ওয়াশিংটনে ফিরে আসে ট্রাম্প বহনকারী বিমান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমান যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পড়ে উড্ডয়ের কিছুক্ষণ পরই ফিরে এসেছে। হোয়াইট হাউস সূত্র জানায়, বিমানে সামান্য বৈদ্যুতিক সমস্যার লক্ষণ দেখা দেওয়ায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিমানটি মার্কিন রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি এলাকায় ফিরে আসে।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে (ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম) অংশগ্রহণের জন্য সুইজারল্যান্ড সফরের উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে রওনা হয়েছিলেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, উড্ডয়ের পরপরই বিমানের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় একটি ছোট ত্রুটি শনাক্ত হয়। যদিও ত্রুটিটি গুরুতর ছিল না, তবে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ঝুঁকি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিমানে উপস্থিত এক সাংবাদিকের বরাতে জানা গেছে, উড্ডয়ের কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রেস কেবিনের আলো কয়েক সেকেন্ডের জন্য নিভে যায়। তখন যাত্রীদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করে যে, এটি ছিল একটি সামান্য বৈদ্যুতিক সমস্যা এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এয়ার ফোর্স ওয়ানটি বোয়িং ৭৪৭ মডেলের বিমান, যা দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্টদের পরিবহনে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যান্ত্রিক ত্রুটির পর বিমানটি নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে আসে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিকল্প ব্যবস্থায় সফর অব্যাহত রাখেন।
পরবর্তীতে ট্রাম্পকে ছোট আকারের একটি বোয়িং ৭৫৭ বিমানে করে সুইজারল্যান্ড সফরে পাঠানো হয়। নতুন বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় বুধবার মধ্যরাতের কিছুক্ষণ পর উড্ডয়ন করে এবং নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী যাত্রা অব্যাহত রাখে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে ব্যবহৃত দুটি এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমান প্রায় চার দশক ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছে। এসব বিমানের পরিবর্তে নতুন প্রজন্মের এয়ার ফোর্স ওয়ান তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বোয়িংকে। তবে প্রযুক্তিগত জটিলতা, ব্যয় বৃদ্ধি এবং সময়সূচি পিছিয়ে যাওয়ার কারণে প্রকল্পটি একাধিকবার বিলম্বের মুখে পড়েছে। এ কারণে পুরোনো বিমান দিয়েই এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ভ্রমণ পরিচালনা করা হচ্ছে।
ভিওডি বাংলা/জা







