প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ মেলেনি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি গোয়েন্দা সংস্থা। এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ না পাওয়ায় পরীক্ষার ফল অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১১ জানুয়ারি দেড় শতাধিক ব্যক্তি প্রশ্ন ফাঁসসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে মহাপরিচালকের কাছে একটি স্মারকলিপি দাখিল করেন। আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত সব অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য তা গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে গোয়েন্দা সংস্থা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে অভিযোগগুলোর কোনো সত্যতা পায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করে।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত) একযোগে ১ হাজার ৪০৮টি পরীক্ষা কেন্দ্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এ পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে মোট ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
ভিওডি বাংলা/ আরিফ







