• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

কাদের গনি

জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের রূপকার

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:২১ পি.এম.
জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক ফোরাম আয়োজিত ‘শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভা। ছবি: ভিওডি বাংলা

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের রূপকার। সমাজের অন্ধকার দূর করতে তিনি সাংস্কৃতিক জাগরণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছিলেন এবং সে লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয়ভাবে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক ফোরাম আয়োজিত ‘শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক ফোরাম আয়োজিত ‘শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভা।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সংস্কৃতি একটি জাতির প্রাণ ও সভ্যতার মানদণ্ড। অন্যায়, অনিয়ম ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে সাংস্কৃতিক জাগরণ অপরিহার্য—এটি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর দর্শন প্রবর্তন করেন, যা ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও সংস্কৃতির ঊর্ধ্বে উঠে সকল নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ করে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ একটি মধ্যপন্থী ও উদার রাজনৈতিক দর্শন—এটি ধর্মান্ধ নয়, আবার ধর্মহীনও নয়। এ দর্শনের মধ্য দিয়ে একটি আধুনিক, সাম্প্রদায়িকতামুক্ত ও ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনের ভিত্তি তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান শিক্ষার পাশাপাশি সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশে অসামান্য অবদান রাখেন। তার আমলেই একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়। শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে তিনি বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা, জাতীয় শিশু পুরস্কার ও জাতীয় শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠা করেন।

জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক ফোরাম আয়োজিত ‘শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভা।

বিএফইউজে মহাসচিব বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি সংরক্ষণে রাঙামাটি ও বিরিশিরিতে উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং বিভাগীয় শহরগুলোতে ইসলামী সংস্কৃতি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশে জিয়াউর রহমান চলচ্চিত্র অনুদান প্রথা চালু, এফডিসির আধুনিকায়ন, রঙিন চলচ্চিত্র নির্মাণের ব্যবস্থা এবং শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাণে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেন বলেও উল্লেখ করেন বিএফইউজে মহাসচিব।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক ফোরামের সভাপতি এরশাদ হাসান এবং সঞ্চালনা করেন মঈনুল ইসলাম। আলোচনায় অংশ নেন জাসাস সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রোকন, বিএফইউজে সাংগঠনিক সম্পাদক এরফানুল হক নাহিদ, চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণসহ সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

ভিওডি বাংলা/ এস/ আরিফ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
নির্বাচিত সরকার এলেও সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়
মতিউর রহমান নির্বাচিত সরকার এলেও সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়
সময় টিভিতে ৩ গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগদান
সময় টিভিতে ৩ গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগদান
সাংবাদিকদের সচিবালয়ে প্রবেশে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা!
সাংবাদিকদের সচিবালয়ে প্রবেশে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা!