শুরু হলো ভোটের প্রচার, কোন দল কোথায় কর্মসূচি করছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে নির্বাচনি প্রচার। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে বুধবার শেষ হয় প্রার্থীদের প্রস্তুতি পর্ব।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে মাঠে নামছেন প্রার্থীরা ও রাজনৈতিক দলগুলো। এর মাধ্যমে সারাদেশে নির্বাচনি উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, বুধবার নিজ নিজ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রতীক বুঝে নেন প্রার্থীরা। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত প্রচার চালাতে পারবেন তারা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার থেকেই বড় পরিসরে প্রচার কার্যক্রম শুরু করছে রাজনৈতিক দলগুলো। আজ সকালে সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠে নির্বাচনি সমাবেশের মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করছে বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথম দিন সাতটি জেলার সমাবেশে যুক্ত হবেন বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।
যেসব জেলায় বিএনপির সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে সেগুলো হলো- সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী আজ দুপুর দুইটায় রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ স্কুল মাঠে নির্বাচনি জনসভার আয়োজন করেছে। এতে দলটির আমির শফিকুর রহমানসহ ১০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে দলীয় পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিন নেতার সমাধি ও শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে তাদের নির্বাচনি প্রচার শুরু করবে।
একই দিনে বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম শুরু করছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি সকাল ৯টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার চরলহনিয়াতে বাবার কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে ‘মাথাল’ প্রতীকের নির্বাচনি প্রচার শুরু করবেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন। প্রার্থীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ উঠলেও তারা প্রত্যাশা করছেন- নির্বাচন কমিশন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে সবার জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করবে।
এদিকে নির্বাচন ঘিরে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ভিওডি বাংলা/জা





