এম হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার গভীর শোক

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট নাগরিক ব্যক্তিত্ব এম হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দেওয়া এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খানের দীর্ঘ ও কর্মবহুল জীবনের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। শোকবার্তায় অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এম হাফিজ উদ্দিন খান ছিলেন একজন সৎ, প্রজ্ঞাবান ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্রকর্মী, যিনি নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে রাষ্ট্রসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ জানান, শোকবার্তায় অধ্যাপক ইউনূস উল্লেখ করেন, ‘রাষ্ট্রসেবায় এম হাফিজ উদ্দিন খানের নৈতিক অবস্থান ও দায়িত্ববোধ আমাদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। কর্মজীবনে তিনি যে সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তা জাতি দীর্ঘদিন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে।’
শোকবার্তায় ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করে প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘ব্যক্তিগত জীবনে এম হাফিজ উদ্দিন খান ছিলেন আমার সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। জীবনের নানা পর্যায়ে তার প্রজ্ঞা, মানবিকতা ও স্পষ্টভাষিতা আমাকে গভীরভাবে প্রভাবিত ও সমৃদ্ধ করেছে। তার মৃত্যুতে আমি কেবল একজন বিশ্বস্ত সহকর্মীকেই নয়, বরং একজন আজীবন সুহৃদকে হারালাম।’
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় এম হাফিজ উদ্দিন খানের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সময় তিনি সবসময় জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন, যা একজন আদর্শ রাষ্ট্রকর্মীর প্রতিচ্ছবি।
উল্লেখ্য, এম হাফিজ উদ্দিন খান গত বুধবার সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় অর্থ ও পরিকল্পনাসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে প্রশাসনে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন।
ভিওডি বাংলা/জা






