• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

হলফ নামায়

কুড়িগ্রাম-২আসনের হেভিওয়েট ৫ প্রার্থীর বার্ষিক আয়

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি    ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০২ পি.এম.
সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৬কুড়িগ্রাম-২ আসনে জনপ্রিয় হেভিওয়েট ৫জন প্রার্থীর বার্ষিক আয় নির্বাচনী হলফনামা থেকে পাওয়া গেছে।

ব্যবসায়ী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ

কুড়িগ্রাম-২ আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি) প্রার্থী মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের বার্ষিক আয় দেড় কোটি। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হাটিরপাড় এলাকার আব্দুল কুদ্দুস খাঁনের ছেলে এবং কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্য সচিব।

তিনি ১৯৭০সালে জন্মগ্রহন করেন এবং তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামা থেকে এ তথ্য মিলেছে। তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্বর্ণালংকার, কৃষিখাত ও ব্যাংকে জমানো টাকাসহ তাঁর বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩৫ লাখ টাকা। এছাড়া তিনি পৈত্রিক ও স্বামী-স্ত্রীর সম্পতির মূল্য দেখিয়েছেন ৩ কোটি টাকা। মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের রূপালী ব্যাংকের ৩টি একাউন্টে যথাক্রমে জমা রয়েছে ১লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৬ হাজার ২৪০টাকা ও  ১৩ হাজার ১৮০টাকা এবং তার স্ত্রী রুপালী ব্যাংকের একটি একাউন্টে জমা রয়েছে ২০ হাজার ৩৯১টাকা, ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় হয় ১৩ লাখ ৬ হাজার ৭৮৫ টাকা, কৃষি খাত থেকে আসে ২লাখ টাকা, নগদ টাকা রয়েছে  ৯৩ লাখ ৪৬ হাজার ৯৪৭টাকা।

২টি মটরসাইকেল রয়েছে যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৭৮হাজার ৫০০টাকা, উপহার হিসেবে প্রাপ্ত ২০ভরি স্বর্ণ যার আনুমানিক মূল্য ১লাখ ৪০হাজার টাকা, টিভি এসি ও মোবাইল যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৫০হাজার টাকা, খাট সোফাসেট চেয়ারেটেবিল যার আনুমানিক মূল্য ১লাখ ৫০ হাজার টাকা, পূর্ব মূল্য ২২লাখ ২৫ হাজার ২৮৫ টাকা, বর্তমান মূল্য ৩৫ লাখ টাকা। অপরদিকে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের কৃষি জমির পরিমাণ হলো ২একর সাড়ে ৭৮ শতক, যার মূল্য আনুমানিক ৫০লাখ ৩০হাজার টাকা এবং স্ত্রী মোসলেমা বেগমের রয়েছে ১একর ৯৭শতক যার আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২৮ হাজার ১১০ টাকা।  অকৃষি জমি রয়েছে বাবারসহ ৯একর ৮২শতক, যার মূল্য ১৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, স্বামী-স্ত্রী মিলে রয়েছে ১৫৬একর ১৭শতক, যার আনুমানিক মূল্য ৬৩ লাখ ৬৫হাজার ৫০০টাকা। হাসপাতাল পাড়ায় ৪তলা বিশিষ্ট ভবন রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৯০ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫টাকা,  মোট জমির পূর্ব মূল্য ৬৪লাখ ৮৭হাজার বর্তমান মূল্য ১কোটি এবং স্বামী-স্ত্রী মিলে জমির পূর্ব মূল্য ১কোট ৫৮লাখ ১হাজার ৯শত ৯৫টাকা, বর্তমান মূল্য ৩ কোটি মাত্র। তার বিরুদ্ধে ৯টি মামলা ছিল সবগুলো মামলা থেকে তাকে খালাশ ও অব্যাহিত দেয়া হয়েছে।

শিল্পপতি পনির উদ্দিন

কুড়িগ্রাম-২ আসনের জাতীয় পার্টির মনোনিত প্রার্থী পনির উদ্দিন আহমেদের বার্ষিক আয় ৪ কোটি ২১লাখ ৮০হাজার টাকা। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ট্যানারি পাড়া গ্রামের আলহাজ্ব আজিজুল হকের ছেলে এবং জেলা জাতীয় পার্টির নেতা। তিনি ২০১৮সালে কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৫৭সালে জন্মগ্রহন করেন এবং তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা স্বশিক্ষিত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামা থেকে এ তথ্য মিলেছে। তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্বর্ণালংকার, কৃষিখাত ও ব্যাংকে জমানো টাকাসহ তাঁর বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন প্রায় ৪কোটি টাকা। এছাড়া তিনি কৃষি ও অকৃষি সম্পতির মূল্য দেখিয়েছেন ২১লাখ ৮০হাজার টাকা। ব্যাংকে জমা রয়েছে ১কোটি ১১লাখ ২৪হাজার ৬ শত ৬২ টাকা । তবে কোন কোন ব্যাংকে জমা রয়েছে তা উল্লেখ নেই।

এছাড়া ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় হয় ৫২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৮ টাকা, কৃষি খাত থেকে আসে ২লাখ টাকা, নগদ টাকা রয়েছে ৬০ লাখ টাকা, ২টি গাড়ী রয়েছে যার আনুমানিক মূল্য ১কোটি ৫২ লাখ টাকা, রয়েছে ১৫ভরি স্বর্ণ যার আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছে ১০ হাজার টাকা, টিভি এসি ও মোবাইল, খাট সোফাসেট চেয়ারেটেবিল পৈত্রিক হওয়ায় মূল্য তার অজানা। অপরদিকে কৃষি জমি পৈত্রিক সম্পতি রয়েছে ১১একর ৫৫শতক, যা এখনো বন্টন হয় নাই। অকৃষি জমি রয়েছে ৮ শতক, যার মূল্য ২ লাখ ২৪হাজার ৮শত টাকা। এছাড়া  কুড়িগ্রাম শহরে ৮শতকের মধ্যে ভবন ও পেট্রোল পাম্প রয়েছে যার আনুমানিক মূল্য ১৭লাখ ৫৫হাজার টাকা। পৈত্রিক ৩ তলা ১টি ও ২তলা ১টি ভবন রয়েছে। যা এখানো বন্টন হয় নাই।

তিনি আয়কর রির্টাণে তার আয় দেখিয়েছেন ৫২লাখ ৪৬হাজার ৯২৮টাকা। আয়কর রির্টাণে তার সম্পদের মূল্য দেখিয়েছেন ৩ কোটি ৫৭লাখ ৪২হাজার ৩৯৬টাকা এবং প্রদত্ত আয়করের পরিমান ৫৯হাজার ৪৪৮টাকা। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা রয়েছে কিনা তিনি তার হলফ নামায় তা উল্লেখ করেননি। তবে ঢাকায় তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা চলমান রয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

অব. মেজর মোহাম্মদ আব্দুস সালাম

কুড়িগ্রাম-২ আসনের জাতীয় নাগরিক ঐক্য পার্টির মনোনিত প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুস সালাম(অব. মেজর) এর বার্ষিক আয় ১১ কোটি ৩৮লাখ ৯৯হাজার ২৮৯টাকা। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের প্রতাপ গ্রামের মো. আজিজার রহমানের ছেলে এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর মেজর। তিনি জাতীয় নাগরিক ঐক্য পার্টিতে সদ্য যোগদান করেন। তিনি ১৯৫৩সালে জন্ম গ্রহণ করেন এবং তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসসি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামা থেকে এ তথ্য মিলেছে।
তিনি তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্বর্ণালংকার, কৃষিখাত ও ব্যাংকে জমানো টাকাসহ  তাঁর বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৬কোটি ৯৭লাখ ৯৯হাজার ২৮৯ টাকা। এছাড়া তিনি পৈত্রিক ও স্বামী-স্ত্রীর সম্পতির মূল্য দেখিয়েছেন ৪ কোটি ৪১লাখ টাকা।

মোহাম্মদ আব্দুস সালাম(অব. মেজর) এর অগ্রণী ব্যাংকে ব্যাংকের একাউন্টে জমা রয়েছে ৬লাখ ৭০ হাজার টাকা ৯১০টাকা ও৮০লাখ ৬৫ হাজার ৪৮১টাকা, সোনালী ব্যাংকে রয়েছে ১লাখ ১হাজার ৭৮৪টাকা,  বাড়ি ভাড়া থেকে আসা  তার বার্ষিক আয় হয় ৪লাখ ৪৪ হাজার ৬৮৫ টাকা, শেয়ার সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমাত থেকে আসা ১০লাখ ৭৮ হাজার ১৮৭টাকা,  নগদ অর্থ রয়েছে ২কোটি ৫০লাখ ৩হাজার ৫৬৪টাকা, স্টক এক্সচেঞ্জে জমা রয়েছে ৪লাখ টাকা, সঞ্চপত্রের স্থায়ী আমানত জমা রয়েছে অগ্রণী ব্যাংকে ১কোটি ১লাখ ৮৯হাজার ১২৫টাকা ও সঞ্চয়পত্র ৮৪লাখ টাকা। 
 
 টিভি এসি ও মোবাইল যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, খাট সোফাসেট চেয়ারেটেবিল যার আনুমানিক মূল্য ১লাখ ৪৪ হাজার ৩০০ টাকা, স্বামী -স্ত্রী মিলে ৩০ তোল স্বর্ণ যার আনুমানিক মূল্য ৯০হাজার টাকা।  কুড়িগ্রাম সদরে ১৪একর ৫০শতক জমিসহ ২তলা ভবন যার আনুমানিক মূল্য ৫২লাখ ৫৬হাজার ৮৭৮টাকা এবং ঢাকার উত্তরায় আবাসিক এলাকায় ১টি ফ্লাট যার আনুমানিক মূল্য ৩৩লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং অপর একটি ফ্লাটের অর্ধেক মালিকানা যার আনুমানিক মূল্য ১৬লাখ ৮০হাজার টাকা।  

তার গৃহ নির্মাণ লোন রয়েছে ১৩লাখ ৯হাজার ৫৩০টাকা। আয়কর রির্টাণে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয় ১৫লাখ ২২হাজার ৮৭২টাকা, আয়কর দেন ১লাখ ৪৯হাজার ৫৩১টাকা। এছাড়া তার নামে ২০০৪সালে দূর্নীতি দমন আইনে একটি মামলা দায়ের হয়।  ২০০৬সালে তার মামলাটি নিস্পতি হয়।

ড. আতিক মোজাহিদ

কুড়িগ্রাম-২ আসনের জামায়াতের আটদলীয় জোটের মনোনিত প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টি(এনসিপি) দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদের বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৭লাখ টাকা। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের প্রতাপ গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি ১৯৯২ সালে জন্ম গ্রহন করেন এবং তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা পিএইচ ডি।  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামা থেকে এ তথ্য মিলেছে।

তিনি তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ২লাখ টাকা। এছাড়া তাঁর পৈত্রিক সম্পতি রয়েছে মাত্র ৪শতক এ ১টি আধাপাকা বাড়ি রয়েছে। আতিকুর রহমান মোজাহিদের ব্যাংক হিসাবে জমা রয়েছে ৮২হাজার ৩৩০টাকা। তবে কোন ব্যাংকে জমা রয়েছে তার উল্লেখ নেই। এছাড়া ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় হয় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, তাঁর ১টি মটরসাইকেল রয়েছে যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ টাকা, টিভি, মোবাইলসহ ইলেট্রনিক্স পন্য যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ  টাকা, খাট সোফাসেট চেয়ারেটেবিল যার আনুমানিক মূল্য ১লাখ  টাকা, সবমিলে ওই সব পন্যের বর্তমান মূল্য ৭ লাখ ৩২ হাজার ৩৩০টাকা।
 
অপরদিকে আতিকুর রহমান মোজাহিদের  অকৃষি জমি রয়েছে পৈত্রিক ৪ শতক ও আধাপাকা ১টি বাড়ি। তাঁর আয়কর রির্টাণে আয় দেখানো হয়েছে ৪লাখ ৪৫হাজার টাকা এবং সম্পদের পরিমাণের মূল্য রয়েছে ২৯লাখ ৬০হাজার টাকা এবং প্রদত্ত আয়করের পরিমান দেয়া হয়েছে ৫হাজার টাকা। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা ছিল না বলে জানা গেছে।

অধ্যক্ষ মো. নুর বখত

কুড়িগ্রাম-২ আসনের ইসলামী আন্দোলন থেকে মনোনিত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. নুর বখতের বার্ষিক আয় সাড়ে ৬ কোটি টাকা। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বানিয়াপাড় গ্রামের মো. হোসেন আলী সুফির ছেলে। তিনি সদ্য ইসলামী আন্দোলন পার্টিতে যোগদান করেন। 

তিনি ১৯৭১সালে জন্মগ্রহন করেন এবং তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা কামিল ও মাস্টার্স। তিনি কুড়িগ্রাম আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামা থেকে এ তথ্য মিলেছে। তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্বর্ণালংকার, কৃষিখাত ও ব্যাংকে জমানো টাকাসহ তাঁর বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৪৭লাখ ৩৯হাজার ৭৮২ টাকা। 

এছাড়া তিনি পৈত্রিক ও স্বামী-স্ত্রীর সম্পতির মূল্য দেখিয়েছেন সাড়ে ৬ কোটি টাকা।অধ্যক্ষ মো. নুর বখতের সোনালী ব্যাংকের একাউন্টে  জমা রয়েছে ১লাখ ১১ হাজার টাকা ৬৮৫টাকা ও  ইসলামী ব্যাংকের একটি একাউন্টে জমা রয়েছে ২৩ হাজার ৫৬০টাকা, বীমা রয়েছে ৮লাখ ৬৪হাজার টাকা, কৃষি  খাত থেকে আসে ৬৬হাজার টাকা, বাড়ি ভাড়া থেকে ১লাখ ৯৫হাজার ৩৯৯টাকা, ব্যাংক আমানত ১০হাজার ৮১৪টাকা, চাকুরি থেকে ৬লাখ ৫হাজার ৫৭৪টাকা, তাঁর রয়েছে ১৫ভরি স্বর্ণ যার আনুমানিক মূল্য ৭৫হাজার টাকা, স্ত্রী পারভীন আখতারের রয়েছে ৩০ভরি স্বর্ণ।

এছাড়া টিভি এসি ও মোবাইলসহ ইলেকট্রনিক্স পন্য যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৮০হাজার টাকা, খাট সোফাসেট চেয়ারেটেবিল যার আনুমানিক মূল্য ১লাখ ৬০ হাজার টাকা।

অপরদিকে মো. নুর বখতের কৃষি জমির পরিমাণ হলো ৩ একর সাড়ে ৪৭ শতক, যার মূল্য আনুমানিক ১৬লাখ ৩৬হাজার টাকা। এবং স্বামী- স্ত্রী রয়েছে ২৭ শতক যার আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। অকৃষি জমি রয়েছে ৬৯ শতক, যার মূল্য ৫৯হাজার ৪০০ টাকা, স্বামী-স্ত্রী মিলে রয়েছে ৫শতক, যার আনুমানিক মূল্য ৩৩হাজার টাকা। বসত বাড়ি রয়েছে ৪টি এর মধ্যে পৈত্রিক বাড়িও রয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ১কোটি সাড়ে ২৬লাখ টাকা। তাঁর সোনালী ব্যাংক এ গৃহ নির্মাণের লোন রয়েছে ১২লাখ ৩হাজার ৫৮৭টাকা এবং ইসলামী ব্যাংকে লোন রয়েছে ২০লাখ ১৯ হাজার ২২৪টাকা। তিনি আয়কর রির্টাণে তার বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৮লাখ ৭৮হাজার ৭৭৮ এবং প্রদত্ত আয়কর দেখিয়েছেন ২২হাজার ৯৭৬টাকা। তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারী আদালতে কোন মামলা নেই।

ভিওডি বাংলা / প্রহলাদ মন্ডল সৈকত/ আ


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
‘হ্যাঁ’ ভোটে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান আলী রীয়াজের
‘হ্যাঁ’ ভোটে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান আলী রীয়াজের
ছাত্র আন্দোলনের শতাধিক শিক্ষার্থী বিএনপিতে যোগদান
সিরাজগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শতাধিক শিক্ষার্থী বিএনপিতে যোগদান
সিংড়ায় জিয়া পরিষদের সদস্যকে গলা কেটে হত্যা
সিংড়ায় জিয়া পরিষদের সদস্যকে গলা কেটে হত্যা