ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ:
অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি ও পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় অটোরিকশা চলাচলের বৈধ অনুমতি প্রদান এবং অযৌক্তিক পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন অটোরিকশা চালকরা। এতে মহাসড়কের উভয় লেনে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টা ৩৫ মিনিটে শ্রীপুর থানাধীন পুরান বাজার এলাকার তুলা গবেষণা কেন্দ্রের সামনে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন অটোরিকশা চালক একত্রিত হয়ে এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।
অবরোধকারীরা মহাসড়কের দুই পাশে অটোরিকশা আড়াআড়িভাবে দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তারা অটোরিকশা চলাচলের বৈধ অনুমতি প্রদান, মামলা ও হয়রানি বন্ধ এবং চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট রুট নির্ধারণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অনুমতি ছাড়াই চলাচলের অজুহাতে পুলিশি হয়রানি, জরিমানা ও অটোরিকশা জব্দ করা হচ্ছে, যা তাদের জীবিকার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অবরোধের কারণে ঢাকা ও ময়মনসিংহগামী যানবাহন দীর্ঘ সময় মহাসড়কে আটকে পড়ে। এতে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী, নারী ও শিশুসহ সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেক যাত্রীকে বাস ও যানবাহন থেকে নেমে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, যা কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করে। পুলিশ অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে শান্তিপূর্ণভাবে মহাসড়ক ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানায়।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির আহমেদ বলেন, “ঘটনাটির বিষয়ে আমরা অবগত আছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ টিম পাঠানো হয়েছে। সড়ক অবরোধের বিষয়টি সত্য। আমরা আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি এবং দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ভিওডি বাংলা/জা







