• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

রাজশাহীতে রোজার আগেই বাড়ছে খাদ্যপণ্যের দাম

রাজশাহী প্রতিনিধি    ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৬ পি.এম.
ছবি: ভিওডি বাংলা

তিন সপ্তাহ পর শুরু পবিত্র রমজান মাস। এর আগে বাড়তে শুরু করেছে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের দাম। বিশেষ করে রোজায় বেশি ব্যবহৃত ছোলা, ছোলার ডাল ও চিনির দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাশাপাশি মাছ, ডিম ও মুরগির মতো প্রোটিনজাত পণ্যের দামও বাড়তির দিকে। তবে শীতকালীন সবজি ও দেশি পেঁয়াজে এখনও তুলনামূলক স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার, সাগরপাড়া, উপভদ্রা ও শালবাগানসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত এক মাসে খুচরা বাজারে ছোলার দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে ছোলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৯৫ থেকে ১০০ টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। ছোলার ডালের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা কেজিতে।

চিনির বাজারেও গত দুই সপ্তাহে দাম বেড়েছে। কিছুদিন আগে যেখানে খুচরা বাজারে চিনি ৯০ টাকায় নেমে এসেছিল, এখন সেখানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, খোলা সয়াবিন তেলের সরবরাহে যে সাময়িক ঘাটতি ছিল, তা এখন স্বাভাবিক হয়েছে।

অন্যদিকে, শীতকালীন সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় বেশিরভাগ সবজির দাম এখনো নাগালের মধ্যে রয়েছে। বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। নতুন আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা, পুরনো আলু ১৫ টাকা কেজি। দেশি পেঁয়াজের উৎপাদন ভালো হওয়ায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়।

এছাড়া শিম ৪০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৮০ টাকা, টমেটো ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা। গাজর ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চালকুমড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা (প্রতি পিস), মুলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লম্বা লাউয়ের দাম তুলনামূলক বেশি। আকারভেদে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকায়। লেবুর বাজারও চড়া মাঝারি আকারের লেবু প্রতি হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ করা থাকার অজুহাতে ফের বেড়েছে চালের দাম। বিক্রেতারা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় মানভেদে প্রায় চালের দাম কেজি প্রতি ৩ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এখন বাজারে এখন মানভেদে প্রতি কেজি নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়, বিভিন্ন ব্রান্ডের মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৭৬ থেকে ৮০ টাকা, মাঝারি মানের ব্রি-২৮ জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৬৫ টাকা, স্বর্ণা ও গুটি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা। এছাড়াও চিনিগুঁড়া পোলাও চাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকায়।

চাষের পাঙাস আকার অনুযায়ী কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ৩০০ টাকা, মাঝারি আকারের কৈ মাছ ৩০০ থেকে ৩২০, দেশি শিং ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, মাঝারি সাইজের পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, চিংড়ি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, দেশি পাঁচমেশালি ছোট মাছ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা ও ৪০০ গ্রাম ওজনের পদ্মার ইলিশ ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে বেড়েছে মুরগি গরু ও খাসির মাংসের দাম। এ সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি দরে। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে। সোনালি জাতের মুরগির বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়। গরুর মাংস ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১৫০ থেকে ১২৫০ টাকায়। প্রতি হালি লাল ডিম ৪৪ টাকা ও সাদা ডিম ৪০টায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ভিওডি বাংলা/ মোঃ রমজান আলী/ আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
নির্বাচন জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যম: শ্যামল
নির্বাচন জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যম: শ্যামল
ফেনীর রেলগেইট এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোচালককে কুপিয়ে হত্যা
ফেনীর রেলগেইট এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোচালককে কুপিয়ে হত্যা
মিঠামইনে বৃদ্ধ কৃষককে গলা কেটে হত্যা
মিঠামইনে বৃদ্ধ কৃষককে গলা কেটে হত্যা