জামায়াতের বিরুদ্ধে এলডিপি প্রার্থীর প্রতারণার অভিযোগ

ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট ও এলডিপির মধ্যে মনোনয়ন নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এলডিপির প্রার্থী মোকফার উদ্দিন চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুল করিম মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় তাকে প্রতারণার শিকার হতে হয়েছে।
গত ১৫ জানুয়ারি ১০ দলীয় জোট এলডিপিকে ভোলা-২ সহ সাতটি আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে অনুযায়ী, জামায়াতের প্রার্থী ফজলুল করিমের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কথা ছিল। কিন্তু শেষ দিন পর্যন্ত তিনি তা করেননি এবং ২১ জানুয়ারি প্রতীকও গ্রহণ করেন। মোকফার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত তাদের প্রার্থী তা করেনি। কেন্দ্রীয় সমর্থন না থাকলে তারা এমন কাজ করতে পারতেন না। এটি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা।”
এলডিপির জেলা সভাপতি বশির আহাম্মদ গতকাল ভোলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জানান, ভোলা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ফজলুল করিম দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ও ১০ দলীয় জোটের ঐক্য অটুট রাখার জন্য এলডিপির প্রার্থী স্বেচ্ছায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে মোকফার উদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন না।
জামায়াতের জেলা কমিটির সেক্রেটারি মাওলানা হারুন অর রশিদ বলেন, “কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ছিল ফজলুল করিম ভোলা-২ আসন থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন। রোববার বিকেল ৩টায় সংবাদ সম্মেলন করে এলডিপি প্রার্থীকে সমর্থনের ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কর্মী ও সমর্থকরা এটি মানতে চাইনি।”
এ ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে। মোকফার উদ্দিন চৌধুরী আরও অভিযোগ করেছেন, জামায়াতের লোকজন তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।
ভোলা-২ আসনের এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ১০ দলীয় জোটের মধ্যে মনোনয়ন, সমর্থন ও রাজনৈতিক একজোট ধরে রাখার বিষয়টি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
ভিওডি বাংলা/জা







