অস্ত্র উদ্ধারের অজুহাতে নির্বাচন পেছানো যাবে না: গয়েশ্বর রায়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের মনোনীত প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, অস্ত্র লুট হওয়া সত্য হলেও, এসব অস্ত্র উদ্ধারের অজুহাতে নির্বাচন পেছানো উচিত নয়। তিনি বলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত এসব অস্ত্র উদ্ধার হবে না, ততক্ষণ নির্বাচন বন্ধ থাকবে-এটা ঠিক নয়। নির্বাচনের পরও এসব অস্ত্র ধীরে ধীরে উদ্ধার করা সম্ভব। তাই নির্বাচনের কোনো ভিত্তিহীন দেরি হওয়া উচিত নয়।”
গয়েশ্বর আরও বলেন, “দেশে সব সময় ‘ভূতের ভয়’ থাকবে। কিন্তু ভূত যতক্ষণ পর্যন্ত দেখা যাবে না, ততক্ষণ আমরা নির্বাচন করব। যদি কখনো ভূত দেখা যায়, তখন ব্যবস্থা নেব।”
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগকালে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
কেরানীগঞ্জের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে গয়েশ্বর বলেন, “এলেকশন শেষে এখানে পরিকল্পিত উন্নয়ন করা হবে। মানুষের বসবাস উপযোগী ও পরিবেশবান্ধব এলাকায় রূপান্তর ঘটানো হবে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।”
বিএনপি নেতা বলেন, তিনি ১৭ বছর ধরে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন এবং তার পরিবার ও নেতাকর্মীরাও এই সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। তিনি যোগ করেন, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোট দিতে পারলে সেটিই বিএনপির সার্থকতা ও আনন্দ। গয়েশ্বর বলেন, “আমরা জয়-পরাজয় নিয়ে ভাবছি না। চাই ভোটার যেন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ভোট না দেওয়ার কষ্ট যেন কেউ ভোগ না করে—এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
তিনি ভোটারদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “যাদের ভোটার তালিকায় নাম আছে, তারা দল-মত নির্বিশেষে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিন। জনগণই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।”
গয়েশ্বর রায় আরও স্পষ্ট করেছেন, বিএনপি থেকে কেউ অন্য দলে যাওয়ার কথা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, “আমাদের দলের কেউ অন্য দলে যাচ্ছে না। এই মুহূর্তে কোনো পাগলও বিএনপি ছাড়বে না। বিএনপি বহু দুর্দিন পার করেছে। অন্য দলে যাওয়ার কথা বলা সম্পূর্ণ স্টান্টবাজি।”
তিনি নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালীন স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন এবং এলাকার ভোটারদের সরাসরি সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
ভিওডি বাংলা/জা







