ফ্যামিলি কার্ড নয়, দেশের নিরাপত্তা ও শিল্পই প্রধান: জামায়াত আমির

খুলনা সার্কিট হাউসে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছে, অন্যদিকে মায়েদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। অনেকে পুরনো ফ্যাসিবাদের ছায়া নিয়ে ফিরে আসতে চায়। আপনারা কালো হাত আর তুলবেন না; যেকোনো সহিংসতার ক্ষেত্রে আমরা ছাড় দেব না।’
ডা. শফিকুর রহমান আরও জানান, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না। বরং বন্ধ মিল-কারখানা পুনরায় চালু করা হবে এবং নতুন শিল্পও গড়ে তোলা হবে। জনগণের সঙ্গে ডায়ালগের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধান করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভোট—গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট—আসছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন, যাতে দেশ ফিরে পায় আজাদী। পরে জোটের প্রার্থীদের ভোট দিন।’
ডা. শফিকুর রহমান অতীতের জুলুম-নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়েও দেশবাসী আমাদের নিরাপত্তা দিয়েছিল। মায়েরা-বোনেরা আমাদের খাবার জোগাড় করেছিল। আমরা তাদের ঋণী। ক্ষমতায় গিয়ে সেই ঋণ শোধ করব। মা, মাটি ও মানুষ আমাদের হাতে নিরাপদ।’
তিনি বলেন, ‘একটি দলের জুলুম-নির্যাতন মানুষের হৃদয়ে স্থান পাবে না। আমরা অন্য ধর্মের সম্পদ ও সম্মানের পাহারাদার ছিলাম; এবার জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটকে পরীক্ষা করার সময়।’
সভায় খুলনা মহানগর জামায়াতের অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, বিভিন্ন আসনের সংসদ প্রার্থী ও জেলা- মহানগর নেতৃবৃন্দ।
বিশেষ অতিথি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘খুলনা শিল্প নগরী হলেও পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ নেই। শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে শ্রমিকরা বেকার। আধুনিক বিমানবন্দর এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনকেন্দ্রের অভাব রয়েছে। আমরা এই সব সমস্যা সমাধান করব।’
ভিওডি বাংলা/ আ







