হাবিবুর রশিদ
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সাধারণ নয়, এটি গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই

ঢাকা-৯ আসনের বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়। এই নির্বাচনের সঙ্গে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা সরাসরি জড়িত।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর খিলগাঁও থানার ২ নং ওয়ার্ডে দক্ষিণ গোড়ান হাওয়াই গলিতে এক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
হাবিব বলেন, আমরা আগামী বাংলাদেশকে গড়তে চাই। আমাদের পতাকা, মানচিত্র এবং স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রকে রক্ষা করতে চাই। বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার বাস্তবায়নের জন্য গত ১৫ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে আসছি।
হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে তাবেদারমুক্ত করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় গিয়ে তার স্বামীকে হারিয়েছেন, সন্তান হারিয়েছেন, গৃহ হারিয়েছেন এবং মিথ্যা মামলায় কারাবরণ করেছেন।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেমন তাবেদারমুক্ত বাংলাদেশ চেয়েছিলেন, তেমনি বেগম খালেদা জিয়া একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চেয়েছেন।
বর্তমান বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান আগামী বাংলাদেশ গড়তে চান । তিনি স্বপ্ন নয়, স্বপ্ন বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের সামনে হাজির হয়েছেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হবে এবং মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে।
তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচনের জন্য হাজার হাজার সহযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন, অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন, অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেও সাধারণ মানুষ জীবন দিয়েছেন। শহীদ শরিফ ওসমান হাদিও মানুষের ভোটাধিকার বাস্তবায়নের জন্য প্রাণ দিয়েছেন।
হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, আমরা যদি ১২ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রে না যাই, তাহলে বাংলাদেশ আবার অগণতান্ত্রিক হয়ে পড়বে। দেশের রাজনীতি অস্থিতিশীল হবে এবং তাবেদারি শক্তি নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হবে। তাই দেশের মানুষের নিরাপত্তা, সন্তানদের ভবিষ্যৎ এবং রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য সবাইকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে।
তিনি বলেন, আমি কাউকে জীবন দিতে বলছি না, কাউকে নিখোঁজ হতে বলছি না। আমি শুধু বলছি যারা নিজেদের জীবন দিয়ে এদেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষার চেষ্টা করেছেন, সেই শহীদদের প্রতি সম্মান জানাতে আমাদের কেন্দ্রে যাওয়া উচিত।
ঢাকা-৯ আসনের উন্নয়ন ও নাগরিক নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ এবং একটি নিরাপদ ঢাকা-৯ গড়তে হলে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিকল্প নেই।
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, তার কোনো আত্মীয়স্বজন এই এলাকার কারও অধিকার ক্ষুণ্ন করবে না এবং কেউ তার পরিবারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
আগামী দিনে ঢাকা-৯ সবার হবে। সবাই মিলে একটি উন্নত ও গণতান্ত্রিক ঢাকা-৯ গড়ে তুলতে হবে।
ভিওডি বাংলা/ সবুজ/ আরিফ







