তরুণদের কর্মসংস্থান-মাদকমুক্ত এলাকা গড়ার অঙ্গীকার ইশরাকের

ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়াই তার অগ্রাধিকার। দীর্ঘদিন অবহেলিত এই এলাকায় বিনিয়োগ না হওয়ায় বেকারত্ব বেড়েছে, শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়নি। আগামী দিনে পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে এ পরিস্থিতি বদলানো হবে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর সূত্রাপুর থানার ক্যাপিটাল জেনারেল হাসপাতালের সামনে ধানের শীষের গণসংযোগের আগে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নূরের প্রতি সমর্থন জানান। তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে একসঙ্গে জেল খাটা, নির্যাতনের শিকার হওয়া এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা তাঁদের ঐক্যকে আরও দৃঢ় করেছে। পটুয়াখালী-৩ আসনে জোট প্রার্থী হিসেবে ভিপি নুরুল হক নূরকে ১২ ফেব্রুয়ারি ‘ট্রাক’ মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
ইশরাক হোসেন তাঁর বক্তব্যে কারাবন্দী অবস্থায় ভিপি নুরুল হক নূরের ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, আহত অবস্থায় তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে টর্চার করা হয়েছিল এবং কারাগারের পরিত্যক্ত কক্ষে রাখা হয়। সে সময় খাবার সংকটের মধ্যেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা একসঙ্গে খাবার ভাগাভাগি করে দিন কাটান বলে তিনি জানান।
এলাকার নাগরিক সমস্যা ও ভোটের জয়ের ফ্যাক্টর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, নতুন ও তরুণ ভোটারদের প্রধান সমস্যা বেকারত্ব। এ সমস্যা সমাধানে বিনিয়োগ বাড়িয়ে স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করা হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, আইটি সেক্টর ও ফ্রিল্যান্সিংয়ে আগ্রহীদের জন্য বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে প্রণোদনা দেওয়া হবে। পুরান ঢাকা, বৃহত্তর সূত্রাপুর ও কোতোয়ালী এলাকায় অনলাইনভিত্তিক ছোট ব্যবসা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করা হবে, যাতে তরুণরা নিজেরা কাজ করার পাশাপাশি অন্যদেরও কর্মসংস্থানির ব্যবস্থা করতে পারে।
মাদককে এলাকার আরেকটি বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট গড়ে তুলে দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তরুণরা দেশে ও বিদেশে ভালো কর্মসংস্থান পায়।
তিনি গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোন অধিকার পরিষদের প্রার্থী ছিলেন আমার ভাই মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম তিনি আজ আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। তিনিসহ আমার দলের নেতাকর্মী স্থানীয় মুরুব্বী স্থানীয় জনগণদের সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গণধিকার পরিষদের নেতা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি দপ্তর সম্পাদক সাইদুর রহমান মিন্টু,সূত্রাপুর থানা বিএনপির আহবায়ক মো. আজিজুল ইসলামসহ প্রমুখ।
ভিওডি বাংলা/জা







