• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ইশরাক হোসেন:

জনগণ নারীদের প্রতি অবমাননাকরের জবাব ব্যালটের মাধ্যমে দিবে

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫১ পি.এম.
গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ কালে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন ইশরাক-ছবি-ভিওডি বাংলা

আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল নারীদের প্রতি যে ধরনের অবমাননাকর বক্তব্য দিচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ এই ধরনের আচরণ কখনও গ্রহণ করবে না এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তারা ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেবে বলে মনে করেন ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ কালে সাংবাদিকদেরকে তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক বলেন, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে। তারা অত্যন্ত অন্যায়ভাবে বিভিন্ন বাসায় কোরআন শরীফ ব্যবহার করে কসম কাটাচ্ছে। ধর্মকে ব্যবহার করে এই ধরনের নেককারজনকভাবে রাজনৈতিক সুবিধা লুটার চেষ্টা করছে। 

ইশরাক হোসেন নারীদের প্রতি অবমাননাকর আচরণের প্রসঙ্গে বলেন, নারীদের প্রতি যে ধরনের বক্তব্য তারা দিচ্ছে এবং পরবর্তীতে যে সাফাই গায়, তা কোনভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। সারাদেশে আমাদের মা-বোনেরা ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন। আমরা তাদের প্রতি একাত্মতা পোষণ করছি এবং ঘৃণা প্রকাশ করছি তাদের বিরুদ্ধে, যারা নারী বিদ্বেষী আচরণ করছেন এবং নারীদের ওপর বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়ে তাদের হেয় প্রতিপন্ন করছেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এই ধরনের আচরণ কখনও গ্রহণ করবে না। ভোটাররা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তারা ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে। যারা এসব বলছে, তাদের প্রকৃত রাজনৈতিক ভিত্তি নেই। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের বেশিরভাগেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

ইশরাক হোসেন বলেন, যদি কেউ বলে আমি নেপোটিজম করি, তার জবাব দেবেন ভোটাররাই। ভোটাররা আমাকে নির্বাচিত করবেন নাকি ভোটও দেবেন না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব ভোটারদের। আমরা তো একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় আছি। সুষ্ঠু নির্বাচনে যদি কেউ বলে আমার কোনো অভিজ্ঞতা নেই বা আমি পারিবারিক সূত্রে রাজনীতি করছি, ভোটাররাই ঠিক করবেন। তখন ওনারা বিজয়ী হলেও কোনো অসুবিধা নেই।

সাংবাদিকদের আর এক প্রশ্নের জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন,  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন বট বাহিনী রয়েছে। আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলকে আমরা এ কারণে ‘গুপ্ত’ বলি। তারা কখনো প্রকাশ্যে রাজনীতি করে নাই, বিভিন্ন ছদ্মবেশে আড়ালে থেকে রাজনীতি করেছে। যারা এখন ছাত্রসংগঠন চালাচ্ছে, তারা অতীতে ছাত্রলীগের সদস্য ছিল এবং ছাত্রলীগের সদস্য হয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের উপর অত্যাচার ও নির্যাতনে অংশগ্রহণ করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার রাজনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাস্তব রাজনীতি হলো ভোটের রাজনীতি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ জনগণ ভোট দিবে এবং ভোটের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।

ভিওডি বাংলা/জা 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
তরুণদের সঙ্গে চায়ের আড্ডায় জাইমা রহমান
তরুণদের সঙ্গে চায়ের আড্ডায় জাইমা রহমান
ঢাকা-১০ আসনে রবিউলের গণসংযোগে জনস্রোত
ঢাকা-১০ আসনে রবিউলের গণসংযোগে জনস্রোত
ভোট কিনতে এলে আইনের হাতে তুলে দেবেন: জামায়াত আমির
ভোট কিনতে এলে আইনের হাতে তুলে দেবেন: জামায়াত আমির