ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের রাজধানী মাস্কাটে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠক শুরু হয়।
আলোচনায় ইরান প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আলোচনার নেতৃত্বে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ। এছাড়া ট্রাম্পের জামাতা জের্ড ক্রুসনারও এ উপলক্ষে ওমানে উপস্থিত হয়েছেন।
বৈঠক শুরুর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তারা দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অস্বাভাবিক দাবি ও রাজনৈতিক হঠকারিতার বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান সুরক্ষিত রাখতে প্রস্তুত।
স্টিভ উইটকোফের সঙ্গে বৈঠকে বসার আগে আরাগচি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা আলোচনা করেন। সেখানে তিনি বলেন, ইরান তাদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কূটনীতির পথই বেছে নেবে।
এর আগে গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনায় বসেছিল। তবে সেই আলোচনা চলাকালেই দখলদার ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়, যার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধ। ওই সংঘাতে ইসরায়েলের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রও যোগ দেয় এবং মূলত ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
আলোচনার মধ্যেই ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে হামলা চালানোয় ওয়াশিংটনের ওপর আস্থা হারায় তেহরান। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখন সেই বিশ্বাস পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির পাশাপাশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আঞ্চলিক প্রক্সি বাহিনীর প্রতি সহায়তার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে চায়। তবে ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
ভিওডি বাংলা/এমএস







