গানকে হারাম বললেও ভোটে গানের ছোঁয়া খুঁজছে: কুদ্দুস বয়াতি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে দেশের প্রতিটি অঙ্গন ভোট নিয়ে সরগরম। শিশু থেকে বৃদ্ধ, কৃষক থেকে কবি-সবাই এখন ভোটের আলোচনায় মগ্ন। এ পরিস্থিতিতে সরব হয়েছেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় লোকসংগীত ও বাউল শিল্পী আবদুল কুদ্দুস বয়াতি।
সোমবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ফেসবুকে একটি পোস্টে কুদ্দুস বয়াতি লিখেছেন, “গানকে হারাম বলা দলটাও গানে গানে ভোট খুঁজছে।” তবে পোস্টে তিনি কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম উল্লেখ করেননি। তার মন্তব্য প্রকাশের পর ফেসবুকে সমর্থনের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া আসে, যেখানে অনেকেই তার বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করেছেন।
কুদ্দুস বয়াতি বিভিন্ন সময় দেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সরব থাকেন। তিনি ১৯৯২ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রচারণার অংশ হিসেবে “এই দিন, দিন না আরো দিন আছে” শিরোনামের গান গেয়ে প্রথমবার দেশের মানুষকে নিজেকে পরিচয় করান। এছাড়া, কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবকালে ব্র্যাকের পক্ষ থেকে “জাইনা চলেন, মাইনা চলেন” শিরোনামের সচেতনতামূলক গানে অংশ নেন।
এখন পর্যন্ত তার দুটি একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় বিজ্ঞাপণচিত্র, নাটক ও প্রামাণ্যচিত্রে গান গেয়েছেন। তার গান দেশের গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে যুক্ত এবং সামাজিক বার্তা প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কুদ্দুস বয়াতির বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার রাজীবপুর গ্রামে। তিনি শুধুমাত্র একজন শিল্পী নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে দেশের সাধারণ মানুষ ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তার মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। লোকসংগীত ও বাউল শিল্পী হিসেবে ভোট এবং সংস্কৃতির সংযোগের এই মন্তব্য দর্শকদের মনে নতুন আলোচনার সূচনা করেছে।
ভিওডি বাংলা/জা







