ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল
| প্রাপ্ত আসন | ১৮০ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ৬৬ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ৬ |
| প্রতীক |
|
বিসিবিকে স্যালুট জানালেন আসিফ নজরুল

ভারতে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে আবারও মুখ খুলেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বিসিবির অবস্থানকে দৃঢ় ও মর্যাদাপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে প্রকাশ্যে স্যালুট জানিয়েছেন। একই সঙ্গে জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে। ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর চাপের মুখে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে আইপিএল দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) মুস্তাফিজকে স্কোয়াড থেকে বাদ দেয়। বিষয়টি বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। সে সময় জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা সিলেটে বিপিএলে ব্যস্ত ছিলেন। এমন প্রেক্ষাপটে ফেসবুক পোস্টে আসিফ নজরুল ভারত থেকে বিশ্বকাপের ভেন্যু সরানোর বিষয়ে আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার পরামর্শ দেন।
পরবর্তীতে দুই দফা চিঠি আদান-প্রদান হলেও তাতে কোনো অগ্রগতি হয়নি। পরিস্থিতি বিবেচনায় আইসিসি একটি সভা আহ্বান করে। সভা শেষে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, বিশ্বকাপে অংশ নিতে হলে ভারতেই খেলতে হবে। এই ঘোষণার পর জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে বসেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
গত ২২ জানুয়ারি আসিফ নজরুল স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, ‘আপনাদেরকে আমি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেই, এই যে সিকিউরিটি রিস্কের কথা বিবেচনা করে ভারতে বিশ্বকাপ না খেলা, এটা আমাদের সরকারের সিদ্ধান্ত।’ সেই অবস্থান থেকেই বাংলাদেশ বিশ্বকাপ বয়কটের পথে হাঁটে।
তবে বিশ্বকাপ বয়কটের প্রায় তিন সপ্তাহ পর সুরে পরিবর্তন আনেন তিনি। মঙ্গলবার দেওয়া বক্তব্যে আসিফ নজরুল বলেন, ‘কোনো অনুশোচনা, প্রশ্নই আসে না। আমাদের কী সিদ্ধান্ত, সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা, ক্রিকেট বোর্ড। তারা নিজেরা স্যাক্রিফাইস করে দেশের ক্রিকেটের, ক্রিকেটারদের, দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য, বাংলাদেশের মর্যাদার প্রশ্নে যে ভূমিকা রেখেছে … আমার মনে হয় যে একটা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’
তিনি আরও জানান, বিসিবির কৌশলী ‘ক্রিকেট ডিপ্লোমেসি’র ফলে আইসিসি বাংলাদেশকে কোনো শাস্তি দেবে না বলে আশ্বস্ত করেছে। বরং ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে আইসিসির একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।
আসিফ নজরুলের ভাষায়, ‘তারা (বিসিবি) যে ক্রিকেট ডিপ্লোমেসিটা করেছে… আইসিসি বলছে তারা আমাদের কোনো শাস্তি দেবে না বরং একটা বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক আমাদের করবে। এটা দারুণ একটা অর্জন। আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে স্যালুট জানাই। এরকম সিদ্ধান্ত ১০ বার নেওয়ার সুযোগ এলে ১০ বারই নেওয়া উচিত।’
বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা হলেও দেশের অভ্যন্তরে এটি মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রশ্নে দৃঢ় অবস্থান হিসেবে দেখছেন অনেকে। সরকারের পক্ষ থেকেও স্পষ্ট করা হয়েছে, জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/জা







