সিইসি নাসির উদ্দিন
ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে

সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংকালে সিইসি বলেন, ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। লিঙ্গ ও বয়স নির্বিশেষে ভোটারদের অবাধে ভোটদানে অংশ নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ভোটারদের যথাযথ পরিচয় যাচাইয়ের পরই ব্যালট পেপার ইস্যু করা হয় এবং নির্ধারিত বিধি অনুসারে গোপন কক্ষে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। কোনও নির্বাচনি বিরোধ দেখা দিলে তা আইন ও সংবিধান অনুযায়ী দ্রুত ও কঠোরভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।
সিইসি আরও জানান, প্রায় ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং ১৬০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক স্বাধীনভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও কভার করছেন। কমিশনের যাত্রার প্রথম দিন থেকেই স্বচ্ছতা অগ্রাধিকার পেয়েছে।
ভোটার নিবন্ধনেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশব্যাপী ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় ৪৫ লাখ নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৭ লাখ নারী।
প্রবাসীদের জন্য প্রথমবারের মতো আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা চালু হয়েছে। সীমিত প্রস্তুতি সত্ত্বেও আশাব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া গেছে।
সিইসি জানান, সব নির্বাচনি সামগ্রী, ব্যালট পেপারসহ, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ একদিনে অনুষ্ঠিত হবে, সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে শেষ হবে।
ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের, তাদের মনোনীত এজেন্ট, স্বীকৃত পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন। গণনার পর ফলাফল ভোটকেন্দ্রেই ঘোষণা করা হবে এবং পরে রিটার্নিং কর্মকর্তারা তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবেন।
ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
ভিওডি বাংলা/ এনআর/ আরিফ







