৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোটের হার ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব
| প্রাপ্ত আসন | ০ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ০ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ০ |
| প্রতীক |
|
আগে মানুষ কথা বলতে ভয় পেতেন, এবার বাতাসটাই ভিন্ন: বিবিসির সাংবাদিক

২০১৮ সালের এবং এবারের নির্বাচন পুরোটাই আলাদা বলে জানিয়েছেন বিবিসি নিউজের দক্ষিণ এশিয়া ও আফগানিস্তান প্রতিনিধি যোগিতা লিমায়ে। তিনি বলেছেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় যখন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ছিলেন, তখন আমি বাংলাদেশে ছিলাম। তখনকার পরিবেশ এখনকার চেয়ে একেবারেই ভিন্ন ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকা ঘুরে আমি দেখেছিলাম—পোলিং এজেন্ট, প্রচারসামগ্রী আর পোস্টার প্রায় সবই এক দলের, সেসব ছিল শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের।
তিনি বলেন, সে সময় এক ধরনের ভীতিকর পরিবেশ ছিল। মানুষ খোলামেলা কথা বলতে ভয় পেতেন। তবে এবার যেন বাতাসটাই অন্যরকম। আমরা যেসব ভোটারের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের মধ্যে স্পষ্ট উত্তেজনা ও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পোস্টার চোখে পড়ছে।
এই সাংবাদিক বলেন, অবশ্য আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করায় এই নির্বাচনটি অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়ার প্রশ্নে একটি ছায়া ফেলেছে। ঢাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে আমরা প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই বহু মানুষকে ভোট দিতে দেখেছি। যেসব ভোটারের সঙ্গে কথা হয়েছে, তাদের কেউ কেউ আশা প্রকাশ করেছেন—আজকের নির্বাচনের পর দেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।
ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ







