৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোটের হার ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব
| প্রাপ্ত আসন | ০ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ০ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ০ |
| প্রতীক |
|
ঢাকা-৬ আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে

এবারের নির্বাচনে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত আসনগুলোর মধ্যে অন্যতম ঢাকা-৬ আসন। ভোটের আগে এই আসনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন মহলে কিছুটা উদ্বেগ ও আশঙ্কার কথা শোনা গেলেও ভোটের দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলতে দেখা গেছে।
এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনসহ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কেউই দুপুর পর্যন্ত ভোটগ্রহণে অনিয়ম, কারচুপি বা ভোটকেন্দ্র দখলের মতো কোনো অভিযোগ উত্থাপন করেননি।
ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন জানান, পরিবেশ মোটামুটি ভালো রয়েছে, তবে গতকাল রাতে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তিনি উল্লেখ করেন, সুত্রাপুরে এক স্কুলের কেন্দ্রে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের কিছু ব্যক্তি প্রবেশের চেষ্টা করেছে। এর আগে সুত্রাপুর থানার জামায়াতের নায়েবে আমিন ঘুষ দেওয়ার সময় আটক হন এবং দুই দিনের জেল হয়।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের তৎপরতায় ভোটগ্রহণ সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
ঢাকা-৬ আসনের সেন্ট্রাল ওমেন্স কলেজ, কামরুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রসহ বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যায়। নারী ও পুরুষ ভোটারদের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ভোট দিতে আসা তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
তবে রাজধানীর কামরুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে জামায়াতের একজন পোলিং এজেন্টকে জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে এমন খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে পড়েছিল পরে ক্যাপ্টেন সিফাত জানান, কেন্দ্রটিতে দায়িত্বে থাকা তিনটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এ ধরনের কোনো ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট পোলিং এজেন্ট ব্যক্তিগত প্রয়োজনেই সাময়িকভাবে কেন্দ্র থেকে বের হয়েছিলেন এবং পরে আবার কেন্দ্রে ফিরে আসেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে তথ্যটি ছড়িয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া।
ভোট দিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এই আসনের ভোটাররা। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে ছিল বাড়তি উৎসাহ ও উদ্দীপনা। ভোটকেন্দ্রের বাইরে অনেক তরুণকে দলবদ্ধভাবে সেলফি তুলতে দেখা যায়। ভোটকে ঘিরে তাদের মধ্যে এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে।
পরিবার-পরিজনসহ ভোট দিতে আসায় কিছু কিছু কেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের আড্ডা দিতে দেখা গেছে। অনেকেই এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের একটি আনন্দঘন মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।
শুধু তরুণরাই নয়, মধ্যবয়সী ও প্রবীণ ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোট দিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অনেক বয়স্ক ভোটার বলেন, দীর্ঘদিন পর তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তাদের কেউ কেউ জানান, ২০০৮ সালের পর এবারই তারা প্রথমবারের মতো ভোট দিতে পেরেছেন।
ভিওডি বাংলা/জা







