৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোটের হার ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব
| প্রাপ্ত আসন | ০ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ০ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ০ |
| প্রতীক |
|
কিছু কেন্দ্রের ভোট বন্ধের দাবি জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের

নির্বাচনের বিভিন্ন আসনে অনিয়ম, প্রার্থীদের এজেন্ট বের করে দেওয়া এবং হামলার অভিযোগ নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে অভিযোগ জানিয়েছে। তারা বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে ভোট বন্ধের দাবিতে শতাধিক ভিডিও ফুটেজ ও প্রামাণ্য দলিল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে জমা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান জামায়াতের কেন্দ্রীয় টিমের সদস্য ও অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম এবং ১১ দলীয় জোটের শরিক দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এবি পার্টির প্রতিনিধিরা।
মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল অভিযোগ করেন, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের অন্তত ৩০টি কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। প্রার্থী অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন শফিকুল আলম লিখিতভাবে ভোট বন্ধের আবেদন করেছেন, তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। একইভাবে, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুয়াপুর) আসনের অধিকাংশ কেন্দ্রেও এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নরসিংদী-৪ (বেলাব-মনোহরদী) কেন্দ্রে জোরপূর্বক সিল মারার ঘটনা ঘটেছে। নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের প্রার্থীকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। ঝালকাঠি, পাথরঘাটা ও মির্জাগঞ্জে সংঘাত ও কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটেছে। শরীয়তপুরের বিভিন্ন কেন্দ্রে এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগও এসেছে।
১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা ও এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জুর বলেন, প্রার্থীদের গাড়িবহরে হামলা পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত করতে করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ ও সংবাদের লিংক ইতিমধ্যেই কমিশনকে সরবরাহ করা হয়েছে।
মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল জানান, সিইসি ও অন্যান্য কমিশনাররা তাদের অভিযোগ শুনেছেন এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জরুরি বৈঠকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। তারা চান পরিচ্ছন্ন ভোটফল, যা নিয়ে জাতির মনে কোনো প্রশ্ন থাকবে না।
ভিওডি বাংলা/জা







